Home » বিহার বিধাসভায় আস্থা ভোটে জয়ী নীতীশ কুমার, ওয়াকআউট আরজেডির

বিহার বিধাসভায় আস্থা ভোটে জয়ী নীতীশ কুমার, ওয়াকআউট আরজেডির

সময় কলকাতা ডেস্ক, ১২ ফেব্রুয়ারি: বেশ কয়েকদিন ধরেই বিহারের রাজনীতি নিয়ে উত্তেজনার পারদ চরমে। তারই মধ্যে সোমবার বিহার বিধাসভায় আস্থা ভোটের সম্মুখীন হয়েছেন জেডিইউ সুপ্রিমো নীতীশ কুমার। সকাল থেকেই গোটা দেশের নজর ছিল বিহারের দিকে। প্রথম থেকেই এগিয়ে ছিলেন জেডিইউ সুপ্রিমো। আস্থাভোটে তাঁর নেতৃত্বাধীন এনডিএ সরকারের পক্ষেই ভোট দিলেন ১৩০ জন বিধায়ক। বিহার বিধানসভায় মোট ২৪৩ টি আসন রয়েছে। সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনে প্রয়োজন ছিল ১২২টি ভোট। যেখানে নীতীশ কুমার এদিন ১৩০টি ভোট পেয়ে জয়ী হলেন। 

আরও পড়ুন  মৃত্যুদণ্ডে সাজাপ্রাপ্ত ৮ প্রাক্তন ভারতীয় নৌসেনা অফিসারকে মুক্তি দিল কাতার

সোমবার সকাল থেকেই বিহার বিধানসভায় আস্থা ভোটকে ঘিরে উত্তেজনার পারদ ছিল তুঙ্গে। জোট সরকারের পক্ষে আস্থা পেশ করা হয়েছে। সেই আস্থা প্রস্তাবকে কেন্দ্র করে সোমবার সকাল থেকেই তুমুল হৈ-হট্টোগোল শুরু হয়েছে। ভোটাভুটির আগেই বিরোধীদের ওয়াক আউট শুরু হয়। তিন আরজেডি বিধায়ক চেতন আনন্দ, নীলম দেবী এবং প্রহ্লাদ যাদব এনডিএ শিবিরে যোগদান করায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়। এদিন বিধানসভায় রাজ্যপাল রাজেন্দ্র আরলেকর ভাষণ দেওয়ার পরেই স্পিকার তথা আরজেডি বিধায়ক আওয়াধ বিহারি চৌধুরীর বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আনা হয়। তবে, আস্থা ভোটের আগেই বিহার বিধানসভার স্পিকারকে সরিয়ে দেওয়া হয়।

আস্থা ভোটের প্রস্তাব গ্রহণের সময় সরকার ও বিরোধী সদস্যদের স্লোগানে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে বিধানসভা কক্ষ। আস্থা ভোটের আগে স্পিকারের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব গ্রহণ করা হয়। প্রস্তাবটি গৃহীত হওয়ায় স্পিকারের পদ থেকে সরে যেতে হয় আরজেডি বিধায়ককে। এদিন স্পিকার অপসারণের আগে রাজ্যপালের ভাষণের মধ্যে দিয়ে শুরু হয় বিধানসভার অধিবেশন। বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিহার সরকারের কর্মসংস্থান বৃদ্ধির কথা উল্লেখ করেন রাজ্যপাল রাজেন্দ্র আরলেকার। তিনি বলেছেন, ২০২০ সাল থেকে বিহারের এখনও পর্যন্ত ৩.৬৩ লাখ মানুষের সরকারি চাকরি হয়েছে। এদিকে, কর্মসংস্থান নিয়ে রাজ্যপাল বক্তব্য রাখার সময় বিধানসভার ভিতরে আরজেডি বিধায়করা তেজস্বী যাদবের হয়ে স্লোগান দিতে শুরু করেন। প্রাক্তন উপ-মুখ্যমন্ত্রীর সক্রিয়তার জন্যই সরকারি চাকরিতে নিয়োগ বলে দাবি করেছেন বিরোধী বিধায়করা।

About Post Author