স্পোর্টস ডেস্ক, সময় কলকাতা, ১৭ মার্চ: আগামী টি-২০ বিশ্বকাপের দলে রাখা হবে না বিরাট কোহলিকে? বিশ্বকাপের দলে বিরাটকে চান না ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের একাংশ। যদিও কোহলিকে দলে পেতে আগ্রহী দলাধিনায়ক রোহিত শর্মা। ফোনে তিনি বিসিসিআই সচিব জয় শাহকে জানিয়ে দিয়েছেন কোহলিকে ছাড়া বিশ্বকাপের দল সম্ভব নয়। বিস্ফোরক দাবি করলেন তৃণমূল কংগ্রেসের বিশ্বজয়ী ক্রিকেটার প্রার্থী কীর্তি আজাদ।

নিজের এক্স হ্যান্ডেলে কীর্তি আজাদ লিখেছেন,“‘জয় শাহ তো নির্বাচক নন। তা হলে উনি কেন দল নির্বাচনে নাক গলাচ্ছেন? এই কাজের দায়িত্বটা অজিত আগরকরকে দেওয়া উচিত। অন্য নির্বাচকদের সঙ্গে আগরকর আলোচনা করুক। আগরকর তাদের বোঝাক যে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দলে কোহলিকে প্রয়োজন নেই!’’ এখানেই থেমে না থেকে ৮৩ বিশ্বকাপজয়ী দলের সদস্য দাবি করেন, “আগরকরকে ১৫ মার্চ পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়েছিল। কোহলিকে বাদ দিয়ে দল গঠন করা নিয়ে নির্বাচকমণ্ডলীর বাকিদের রাজি করাতে। সূত্রের খবর, এই সিদ্ধান্তে আগরকর না তো নিজেকে রাজি করাতে পেরেছেন, না তো নির্বাচকদের। তার পরেই এ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করেন রোহিত শর্মা। তিনি জানিয়ে দেন দলে কোহলিকে চাই-ই।” বিরাট কোহলি টি-২০ বিশ্বকাপে খেলবেন। শীঘ্রই তার নাম সরকারীভাবে ঘোষণা করা হবে বলেও জানিয়েছেন আজাদ। পাশাপাশি, ‘আহাম্মক’-দের নির্বাচক প্রক্রিয়া থেকে বিরত থাকার পরামর্শও দিয়েছেন ভারতের প্রাক্তন ক্রিকেটার।
Why should Jay Shah, he is not a selector, to give responsibility to Ajit Agarkar to talk to the other selectors and convince them that Virat Kohli is not getting a place in the T20 team. For this, time was given till 15th March. If sources are to be believed, Ajit Agarkar was… pic.twitter.com/FyaJSClOLw
— Kirti Azad (@KirtiAzaad) March 17, 2024
কীর্তির এই পোস্টকে ঘিরে দানা বেঁধেছে বিতর্ক। অনেকে এই পোস্টের পিছনে রাজনীতির গন্ধও পাচ্ছেন। কারণ, পরিবারবাদ নিয়ে ভারতীয় জনতা পার্টির নিশানার মুখে প্রায়শই পড়তে হয় বিরোধীদের। সেই প্রতিফলন শোনা যায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ভাষণেও। উল্টোদিকে পরিবারবাদ নিয়ে বিরোধীরাও পাল্টা দিতে ছাড়েনা বিজেপিকে। উদাহরণস্বরূপ তারা তুলে ধরেন জয় শাহ-র প্রসঙ্গ। যিনি সম্পর্কসূত্রে দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের ছেলে। জয়ের ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের অধিশ্বর হয়ে ওঠার পিছনে বিরোধীরা অমিত শাহেরই হাত দেখেন। ভারতীয় দলের খারাপ পারফরম্যান্স হলেই বিরোধীরা জয়ের অপসরণের দাবিতে সরব হন। সামনে দেশের সাধারণ নির্বাচন। তার আগে ‘পরিবারবাদ’ নিয়ে ফের আসরে যুযুধান দুই পক্ষ। একদিকে দেশের শাসক দল বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোট। অন্যদিকে বিরোধী শক্তি ইন্ডিয়া জোট। সেই বিরোধী জোটের শরিক দল তৃণমূল কংগ্রেস। যাদের বিরুদ্ধেও ক্রমাগত পরিবারতন্ত্রের অভিযোগ তুলেছে বিজেপির কেন্দ্রীয় ও রাজ্যা নেতৃত্ব। গত ১০ মার্চ রাজ্যের শাসক দল বর্ধমান-দূর্গাপুর কেন্দ্র থেকে প্রার্থী করেছে প্রাক্তন ক্রিকেটার কীর্তি আজাদকে। ইতিমধ্যে ভোট প্রচারেও নেমে পড়েছেন তিনি। রবিবার সকালে কীর্তির জয় শাহকে আক্রমণের পিছনেও অনেকে রাজনৈতিক প্রচারের হাতিয়ার বলেই মনে করছেন।


More Stories
ঔদ্ধত্য,দাম্ভিকতা,অহংকার এবং দুর্নীতিকে মদত -নাম না করে মমতাকে বেনজির আক্রমণ শান্তনু সেনের
সিরিজ জিতল পাকিস্তান
শ্লীলতাহানির অভিযোগে গ্রেফতার জয়প্রকাশ