Home » Sujaykrishna Bhadra: নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় কালীঘাটের কাকুকে জেরা করতে প্রেসিডেন্সি জেলে গেল সিবিআই

Sujaykrishna Bhadra: নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় কালীঘাটের কাকুকে জেরা করতে প্রেসিডেন্সি জেলে গেল সিবিআই

সময় কলকাতা ডেস্ক, ২৭ এপ্রিলঃ নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্ত যতই এগোচ্ছে, ততই যেন ঘনীভূত হচ্ছে রহস্য। এবার নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র ওরফে কালীঘাটের কাকুকে জেরা করতে প্রেসিডেন্সি জেলে গেল সিবিআই। গত বুধবার সুজয়কৃষ্ণকে জেলে গিয়ে জেরার অনুমতি চেয়ে আদালতে আবেদন জানিয়েছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। আদালতের অনুমতি পাওয়ার পরই শনিবার প্রেসিডেন্সি জেলে গেলেন সিবিআইয়ের কর্তারা। সূত্রের খবর, গত বৃহস্পতিবার রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় ঘনিষ্ঠ সন্তু গঙ্গোপাধ্যায়কে নিজাম প্যালেসে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে সিবিআই। সন্তুকে জেরা করেই সিবিআইয়ের হাতে কিছু নতুন তথ্য এসেছে। সেই সমস্ত তথ্য সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানতেই ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ফের সিবিআইয়ের একটি দল প্রেসিডেন্সিতে গেল। জানা গিয়েছে, কালীঘাটের কাকু ছাড়াও নিয়োগ দুর্নীতিতে ধৃত অয়ন শীল এবং শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়কেও জেরা করবে সিবিআই। ইতিমধ্যে ফরেন্সিক রিপোর্টে মোবাইল ফোন থেকে সংগৃহীত ভয়েস ক্লিপিং-এর সঙ্গে মিলে গিয়েছে সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রর কণ্ঠস্বর।

আরও পড়ুন  পঞ্চম দফার নির্বাচনে ৮০০-র বেশি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করার পরিকল্পনা নির্বাচন কমিশনের

উল্লেখ্য, নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গত বছর ৩০ মে ইডির হাতে গ্রেফতার হন কালীঘাটের কাকু। নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডের তদন্তে নেমে কালীঘাটের কাকুর বেহালার বাড়ি, অফিসে তল্লাশি চালিয়েছিল কেন্দ্রীয় এজেন্সি। যেদিন এই তল্লাশি চলছিল, সেদিন আবার নিজাম প্যালেসে হাজিরা ছিল অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের। কালীঘাটের কাকুর বাড়ি ও অফিস থেকে ইডি বেরিয়েছিল ১৬ ঘণ্টা পর। জানা গিয়েছিল, প্রচুর নথি নাকি নিয়ে গিয়েছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। সূত্রের খবর, সেই নথির ভিত্তিতেই কালীঘাটের কাকুকে তলব করেছিল ইডি দফতরে। শেষ পর্যন্ত টানা ১১ ঘণ্টা ম্যারাথন জেরার পর ইডির হাতে গ্রেফতার হন তিনি। সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র ছিলেন অভিষেকের অফিসের কর্মচারী।

ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে কালীঘাটের কাকু একাধিক কোম্পানির সঙ্গে জড়িত রয়েছে। লিপস অ্যান্ড বাউন্স প্রাইভেট লিমিটেড-এর এএমডি পোস্টে ছিলেন তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কম্যান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এই কোম্পানিরই ডিরেক্টরস বোর্ডের একটি তালিকায় নাম ছিল সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রের। কিন্তু,লোকসভা ভোটের আগেই এই কোম্পানি থেকে ইস্তফা দেন কালীঘাটের কাকু। প্রাথমিক তদন্তে ইডি-র অনুমান,কালীঘাটের কাকু একাধিক কোম্পানির মাধ্যমে ঘুরপথে কালো টাকা সাদা করত। এর আগে সিবিআইয়ের তলবে গত বছর ১৫ মার্চ নিজাম প্যালেসে হাজির হন কালীঘাটের কাকু। আর এবার আরও এক বার তাঁকে জেরা করছে সিবিআই।

#SujaykrishnaBhadra

#CBI

#Recruitmentcorruptioncase

About Post Author