পুরন্দর চক্রবর্তী,দীপ সেন ও রাজু দাস,সময় কলকাতা , ২৪ জানুয়ারি : এবার শুভেন্দু অধিকারীকে আদর্শ করে, শুভেন্দুর উদাহরণ টেনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ভোটে তাঁর বিরুদ্ধে লড়ার চ্যালেঞ্জ হুমায়ুন কবীরের। শুধু তাই নয়, অভিষেককেও চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিলেন তিনি। শর্ত, মমতা – অভিষেককে রেজিনগর ও বেলডাঙ্গায় এসে লড়তে হবে।বললেন, দুজনকেই ৩০ হাজার করে ভোটে হারাবেন তিনি। না পারলে “দশ হাত “নাকখত দেবেন।
বারাসাতে নিজের গড়া জনতা উন্নয়ন পার্টির একটি সাংগঠনিক বৈঠকে এসে হুমায়ুন কবীর বললেন, নন্দীগ্রামে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হেরেছিলেন শুভেন্দু অধিকারীর কাছে। তখন দলের জয়ীদের সই নিয়ে পরিশোধীয় নেত্রী হয়ে রাজ্য পালের কাছে শপথ নিয়েছিলেন। শুভেন্দু অধিকারীর উদাহরণ টানার পরে তিনি বলেন রেজিনগরে এলে তাঁর বিরুদ্ধে দাঁড়ালেও মুখ্যমন্ত্রীর পরাজয় হবে। রেজিনগর বা বেলডাঙায় তৃণমূলের দলীয় প্রার্থী বা প্রাক্তন বিধায়করা তাঁর বিরুদ্ধে সামান্য লড়াই টুকু দিতে পারবেন না, এমনটাই মনে করেন তিনি। ” ওদের দিয়ে হবে না, ” জানিয়ে তিনি বলেন, রেজিনগরে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বা বেলডাঙায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এসে তাঁর বিরুদ্ধে লড়াই করুন। “তাঁদের যদি মিনিমাম ৩০ হাজার করে ভোটে না হারাতে পারি তবে দশ হাত করে নাক ছিচুনি ( নাকখত ) দিয়ে বাড়ি ঢুকে যাব,”- দাবি হুমায়ুন কবীরের। তিনি ভোটের ভবিষ্যৎ নিয়ে খুব দোদুল্যমান। তিনি এদিন আরও একবার বলেন, একশোর বেশি আসন নিয়ে তিনি লার্জেস্ট পার্টি হবেন, মুখ্যমন্ত্রীর মুখ হবেন, বিজেপিকে সরকার গড়তে তার কাছে সাহায্য নিতে হবে। আবার, তিনি বলেন, এসআইআর নিয়ে যা চলছে নির্বাচন কমিশন পূর্ণাঙ্গ তালিকা পেশ করতে না পারলেই ভোট হবে না। সেরকমই সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে জানিয়ে তার বক্তব্য, সেক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতি শাসন অবধারিত। তবে ভোট হয়ে ক্ষমতায় এলেই ( পড়ুন, মুখ্যমন্ত্রী হ’লে) তিনি মহিলাদের জন্য সাহায্যভাতা ৩০০০ টাকা করবেন আর আবাস যোজনার টাকা বাড়াবেন। ওষুধ সহ নিত্য প্রয়োজনীয় পরিষেবা মানুষের জন্য অনেক সহজ করে দেওয়া হবে। ভোট নাও হতে পারে বলেও, এখন থেকেই হুমায়ুন কবীর কার্যত নির্বাচনী প্রচারে নেমে পড়েছেন।।
More Stories
কোলে সন্তান নিয়ে বুথ আগলাচ্ছেন মহিলা পুলিশ
এক নজরে বঙ্গের দ্বিতীয় দফার ভোট
অভয়ার পানিহাটি ভোটে কার?