Home » ব্যাঙ্কশাল কোর্টের পিছনে বহুতলে বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ড, ঘটনাস্থলে দমকলের ৭টি ইঞ্জিন

ব্যাঙ্কশাল কোর্টের পিছনে বহুতলে বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ড, ঘটনাস্থলে দমকলের ৭টি ইঞ্জিন

সময় কলকাতা ডেস্ক, ২২ জুনঃ ফের বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ড খাস কলকাতায়। দাউদাউ করে জ্বলে উঠল ব্যাঙ্কশাল কোর্টের পিছনের একটি পুরনো বাড়ি। শনিবার কাকভোরে ভয়াবহ আগুন লাগে গার্স্টিন প্লেসে। আগুনের তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে, আগুন নেভাতে বেশ বেগ পেতে হয় দমকল কর্মীদের। গোটা এলাকা কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যায়। ঘিঞ্জি এলাকা হওয়ায় দ্রুত আগুন ছড়িয়ে পড়ে গোটা এলাকাজুড়ে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ঘটনাস্থলে আসে দমকলের ৭টি ইঞ্জিন। দমকল কর্মীদের প্রায় এক ঘন্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে। তবে এখনও পুরোপুরি পরিস্থিতি আয়ত্তে নয়। ঘটনাস্থলে রয়েছেন হেয়ার স্ট্রিট থানার পুলিশ ও দমকলের আধিকারিকরা। প্রচুর ক্ষয়ক্ষতি হলে এখনো পর্যন্ত হতাহতের কোন খবর পাওয়া যায়নি। তবে, অগ্নিকাণ্ড কেন্দ্র করে আতঙ্ক ছড়িয়েছে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে।


আরও পড়ুন

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন ভোর ৪টে নাগাদ হঠাৎই আগুন লেগে যায় ব্যাঙ্কশাল কোর্টের পিছনের একটি পুরনো বাড়িতে। প্রচুর পরিমাণে দাহ্য পদার্থ মজুদ থাকায় কয়েক মিনিটের মধ্যেই আগুন চারদিকে ছড়িয়ে পড়তে থাকে। এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই ব্যাপক আতঙ্কে সৃষ্টি হয় গোটা চত্বর জুড়ে। দ্রুত আগুনের লেলিনহান শিখা বাড়তে থাকে। স্থানীয়রা আতঙ্কিত হয়ে বাড়ির বাইরে বেরিয়ে আসেন। ওই বাড়িতে জনবসতি ছিল না বলেই জানা গিয়েছে। ওই বাড়িতে আইনজীবীদের চেম্বার ছিল। স্থানীয়রাই তড়িঘড়ি খবর দেয় দমকলে। খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকলের ৭টি ইঞ্জিন। দমকল কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে যুদ্ধকালীন তৎপরতার সঙ্গে আগুন নিভানোর কাছে হাত লাগান। গোটা এলাকা ফাঁকা করতে শুরু করেন তারা।

বাড়িটির আশেপাশে ব্যাঙ্কশাল কোর্ট ছাড়াও একাধিক অফিস রয়েছে। সেখানকার কর্মীদের সরানো হয়। মুহূর্তের মধ্যে একের পর এক গ্যাস সিলিন্ডার বের করার কাজেও হাত লাগান তারা। দমকল কর্মীদের প্রায় এক ঘন্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে। তবে ঘটনার যে দৃশ্য প্রকাশ্যে এসেছে, তাদেরকে বোঝা যাচ্ছে এদিন আগুনের তীব্রতা ঠিক কতটা ছিল। প্রাথমিকভাবে দমকল কর্মীদের অনুমান এসি থেকে শর্ট সার্কিটের জেরেই আগুন লেগেছে। তবে শনিবার, ছুটির দিনে কীভাবে এসি চলছিল, তা জানা যায়নি। সবটা নিয়েই তৈরি হয়েছে ধোঁয়াশা। ইতিমধ্যেই গোটা ঘটনার তদন্তে নেমেছে প্রশাসন। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ৪৫ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সন্তোষ পাঠকের আদি বাড়ি এটি। তবে কেউ থাকতেন না এই বাড়িতে। অফিস হিসাবেই ভাড়া দেওয়া হত। ফাঁকা বাড়িতে কীভাবে আগুন লাগল, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।

#Latestbengalinews

#DevastatingfirebehindBankshalCourt

About Post Author