সময় কলকাতা ডেস্ক, ১৯ জুলাই :বাড়িতে সাত বছরের ভাইকে নিয়ে ঘুমোচ্ছিল চতুর্দশী কিশোরী। বাড়িতে বাবা মা কেউ ছিলনা। মাঝে মাঝে মেলায় আইসক্রিম বিক্রি করতে যান আইসক্রিম বিক্রেতা বাবা-মা । বাড়িতে থাকত নাবালক নাবালিকা ভাই বোন। বৃহস্পতিবার রাতেও তেমনটাই ছিল। তারা রাতের খাবার খেয়ে ঘুমিয়ে পড়ে। মাঝরাতে দরজায় টোকা।অষ্টম শ্রেণীর ছাত্রী বেরিয়ে আসে দরজা খুলে। শুক্রবার সকালে বাড়ির বারান্দায় পড়ে ছিল কিশোরীর নিথর নিষ্প্রাণ দেহ। মালদার হবিবপুরের ঘটনা।
হবিবপুর থানার পুলিশ সকালেই আসে বাড়িতে। পুলিশ জানিয়েছে খুনী স্থানীয় এক যুবক যে কিনা পুলিশের হেফাজতে রয়েছে। রাতেই মেয়েটিকে খুন করে থানায় আত্মসমর্পণ করেছে আততায়ী যুবক। আত্মসমর্পণ করে খুনের কথা স্বীকার করে খুনের কারনও জানিয়েছে যুবক।
বাবাকে রাতেই মেয়েটি ফোন করেছিল। “বাবা তাড়াতাড়ি এসে বাঁচাও আমাকে,” মেয়েটির আর কোনও কথা শোনা যায় নি। সকালে এসে মেয়েকে জীবিত অবস্থায় পায়নি বাবা-মা। বাবার দাবি, মৃত্যুদণ্ড চাই। মালদা- নালাগোলা রাজ্য সড়কে বুলবুলচন্ডি হাসপাতাল মোড় এলাকায় টায়ার পুড়িয়ে বিক্ষোভ ও অবরোধ চলল।

হবিবপুর থানার নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক পুলিশ আধিকারিক ঘটনাটি প্রসঙ্গে জানিয়েছেন , আততায়ী যুবক জানিয়েছে যে চতুর্দশী কিশোরীকে সে খুন করেছে-সে তার প্রাক্তন প্রেমিকা ছিল। সম্প্রতি তাদের সম্পর্কে ভাঙন ধরে। যুবকের অভিযোগ, সম্পর্ক বিচ্ছিন্ন হওয়ার পরে ধর্ষণের অভিযোগ করছিল এবং ধর্ষণের অভিযোগ তুলে তাকে ব্ল্যাকমেল করার চেষ্টা করছিল কিশোরী। তাই শ্বাসরোধ করে তার প্রাক্তন প্রেমিকার মুখ বন্ধ করে দিয়েছে আততায়ী।
#প্রাক্তন প্রেমিকাকে খুন
আরও পড়ুন রেল দুর্ঘটনা ও রেলমন্ত্রীর পদত্যাগ


More Stories
অজ্ঞাতবাস থেকে গ্রেফতার নৈহাটির প্রাক্তন বিধায়ক সনৎ দে
ইসলামপুরে দুষ্কৃতীর গুলিতে নিহত প্রধান শিক্ষক
লিগের খেলা সুসম্পন্ন করে বারাসাত স্টেডিয়াম দিল ডার্বির বার্তা