স্পোর্টস ডেস্ক, সময় কলকাতা, ১৫ সেপ্টেম্বর: প্রিমিয়ার লিগে বড় অঘটন। শনিবার ঘরের মাঠে হারের মুখ দেখতে হল লিভারপুলকে। নটিংহ্যাম ফরেস্টের বিরুদ্ধে হেরে গেলেন মহম্মদ সালাহরা। লিভারপুলের হারের দিন জয়ে ফিরল ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। সাদাম্পটনকে তাদের ঘরের মাঠে হারিয়েছে এরিক টেন হ্যাগের ছেলেরা।অন্য একটি ম্যাচে পিছিয়ে থেকেও জয় পেয়েছে ম্যানচেস্টার সিটি। ঘরের মাঠে ব্রেন্টফোর্ডকে পিছিয়ে থেকেও হারিয়েছে সিটিজেনরা।

চলতি মরশুমে দুরন্ত ছন্দে রয়েছে আর্নি স্লটের লিভারপুল। শেষ তিন ম্যাচ জয়ের পাশাপাশি গত ম্যাচে তারা হারিয়েছে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডকে। ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে বিপক্ষকে কার্যত কোণঠাসা করে রেখেছিলেন ৯০ মিনিট। সেই দলকে ১-০ গোলে হারিয়ে চমক দিল খাতায় কলমে দুর্বল নটিংহ্যাম ফরেস্ট। গোটা ম্যাচে বলের নিয়ন্ত্রণ বা বিপক্ষের গোলে শট মারার পরিসংখ্যানে এগিয়ে ছিল অল রেডরা। কিন্তু ফরোয়ার্ড লাইনের দুর্বলতায় গোলের মুখ খুলতে পারেননি। উল্টে ৭২ মিনিটে গোল হজম করে বসে। খেলার গতির বিপরীতে প্রতি আক্রমণ থেকে গোল করে এগিয়ে যায় ফরেস্ট। প্রাক্তন ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড উইঙ্গার অ্যান্টনি এলাঙ্গার বাড়ানো পাস থেকে গোল করে ম্যাচের ফারাক গড়ে দলের প্রাক্তন চেলসির ফুটবলার কালাম হাডসন ওডোই।
জোড়া ধাক্কা দিতে প্রিমিয়ার লিগ অভিযান শুরু হয়েছে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের। শেষ দুই ম্যাচে হারতে হয়েছে ব্রাইটন ও লিভারপুলের কাছে। ঘুরে দাঁড়ানোর জন্য সাদাম্পটনের বিরুদ্ধে অ্যাওয়ে ম্যাচকে বেছে নিলেন ব্রুনো ফার্নান্ডেজরা। অনেকদিন পর বেশ দাপুটে ফুটবল খেলতে দেখা গেল লাল দৈত্যদের। যদিও ম্যাচের শুরুতে পেনাল্টি হজম করে বেশ ব্যাকফুটে চলে গিয়েছিল তারা। কিন্তু সেই পেনাল্টি বাঁচিয়ে দলকে উজ্জীবিত করে দেন ইউনাইটেড গোলরক্ষক আন্দ্রে ওনানা। তারপর আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। ৩৪ মিনিটে ব্রুনোর সেন্টার থেকে হেডে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন ম্যাথিয়াস ডি লিট। ইউনাইটেডের হয়ে প্রথম গোল করলেন এই ডাচ ডিফেন্ডার। ৪১ মিনিটে দলের হয়ে ব্যবধান বাড়ান মার্কোস রাশফোর্ড। প্রায় ১৩ ম্যাচ পর গোলের খরা কাটালেন ইংরেজ ফরোয়ার্ড। দ্বিতীয়ার্ধের সংযুক্ত সময়ে ব্যবধান ৩-০ করেন আলেহান্দ্রো গারনাচো। তার আগে ৭৯ মিনিটে লালকার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন সটনের জ্যাক স্টিফেন্স।
ব্রেন্টফোর্ডের বিরুদ্ধে শুরুতেই ধাক্কা খায় ম্যানচেস্টার সিটি। মাত্র ২২ সেকেন্ডে সফরকারী দলকে এগিয়ে দেন জন উইসা। যা প্রতিযোগিতার ইতিহাসে শেষবারের চ্যাম্পিয়নদের বিরুদ্ধে করা দ্রুততম গোল। কিন্তু কথায় আছে রাখে হরি মারে কে! আর সিটি ভক্তরা বলেন জেতায় হালান্ড হারায় কে! আবার দলের হয়ে ত্রাতার ভূমিকা গ্রহণ করলেন নরওয়ের ফরোয়ার্ড। জোড়া গোল করে চলতি লিগে দলের টানা চতুর্থ জয় নিশ্চিত করলেন এই মুহূর্তে বিশ্বের অন্যতম ভয়ঙ্কর ফুটবলার। ১৯ মিনিটে গোল করে দলের হয়ে সমতা ফেরান হালান্ড। ৩২ মিনিটে নির্ণায়ক গোলটিও তিনিই করেন। এই জয়ের ফলে চার ম্যাচে ১২ পয়েন্ট পেয়ে লিগ শীর্ষে ম্যানচেস্টার সিটি।


More Stories
চেন্নাইয়ানকে হারিয়ে মোহনবাগানকে টপকে ইস্টবেঙ্গল তিন নম্বরে
কেকেআর-কে হারালেন, কে এই মুকুল চৌধুরী ?
গ্রেফতার অজি ক্রিকেট তারকা ওয়ার্ণার