স্পোর্টস ডেস্ক, সময় কলকাতা, ৪ অক্টোবরঃ ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের আকাশে বিপদের কালে মেঘ কাটছে না। প্রিমিয়ার লিগে ধুঁকতে থাকা দলটি আবারও পয়েন্ট নষ্ট করল উয়েফা ইউরোপা লিগে। এরিক টেন হ্যাগের আমলে এগিয়ে গিয়ে গোল হজম করার রোগ পিছু ছাড়ছে না ইউনাইটেডের। সেই রোগ আরও একবার প্রকট হল। পোর্তোর মাঠে জোড়া গোল করেও জিতে মাঠ ছাড়তে পারল না রেড ডেভিলসরা। তার উপর আবার লালকার্ড দেখে দলের বিপদ বাড়ালেন ব্রুনো ফার্নান্ডেজ।

বৃহস্পতিবার রাতে এস্তাদি দ্যা ড্রাগাওয়েতে জয়ের বড় সুযোগ তৈরি হয়েছিল ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের সামনে। ম্যাচ শুরুর ৭ মিনিটের মধ্যে ইংল্যান্ডের দলকে এগিয়ে দেন মার্কোস রাশফোর্ড। পোর্তোর দুই ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে তিনি গোল করেন। ১-০ গোলে এগিয়ে যায় ইউনাইটেড। দশমিনিট পর দলের হয়ে ব্যবধান বাড়ান রাসমাস হয়লন। মার্কোস রাশফোর্ডের বাড়ানো পাস থেকে ব্যবধান ২-০ করেন ডেনমার্কের ২১ বছরের ফরোয়ার্ড। জোড়া গোলে পিছিয়ে গিয়েও হাল ছাড়েনি স্বাগতিকরা। ২৭ মিনিটে গোল করে পর্তুগালের দলকে সমতায় ফেরান পেপে। এই গোলের রেশ কাটিয়ে ওঠার ছয় মিনিট পর পোর্তোকে সমতায় ফেরান সামু। ইউনাইটেড রক্ষণের দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে বল জালে জড়িয়ে দেন। প্রথমার্ধ শেষ হয় ২-২ গোলে।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে আবারও রক্ষণের ভুলে গোল হজম করে ইউনাইটেড শিবির। নিজের দ্বিতীয় গোল করে দলকে এগিয়ে দেন সামু। এর পর খেলায় সমতা ফেরাতে মরিয়া হয়ে ওঠেন ব্রুনো ফার্নান্ডেজরা। বেশ কয়েকবার গোল করার জায়গায় পৌঁছেও গিয়েছিলেন তাঁরা। কিন্তু কাজের কাজটি করতে পারছিলেন না। শেষের দিকে পোর্তোর তিন কাঠির তলায় দুর্ভেদ্য হয়ে ওঠেন দিয়োগো কোস্টা। ৮১ মিনিটে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড ও লালকার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন ইউনাইটেড অধিনায়ক ব্রুনো ফার্নান্ডেজ। দশজনে হয়ে যাওয়ায় চাপ বাড়ে ইংল্যান্ডের দলের। একটা সময় মনে হয়েছিল আবারও হেরে মাঠ ছাড়তে হবে টেন হ্যাগের দলকে। সেই সময় দলের ত্রাণকর্তা হয়ে ওঠেন হ্যারি ম্যাগুইয়ার। এরিকসেনের বুদ্ধিদীপ্ত কর্ণার থেকে তাঁর হেডার পরাস্ত করে কোস্তাকে। এই ড্রয়ের ফলে দুই ম্যাচে ২ পয়েন্ট পেয়ে ২১ নম্বর স্থানে রয়েছে ম্যানচেস্টার ইউনাই়টেড।


More Stories
মোহনবাগান আইএফএ শিল্ডের ফাইনালে
ভারতকে প্রশংসায় ভরালেন ব্রাজিল কোচ
অনায়াসে ৪০৬, আর কত বড় টার্গেট চাই টিম ইন্ডিয়ার?