Home » কোচ বদলালেও ভাগ্য বদলালো না, হেরেই চলেছে ইস্টবেঙ্গল

কোচ বদলালেও ভাগ্য বদলালো না, হেরেই চলেছে ইস্টবেঙ্গল

সময় কলকাতা, স্পোর্টস ডেস্ক, ৫ অক্টোবর: কোচ বদলেও পরিণতি বদলায়নি ইস্টবেঙ্গলের। কার্লেস কুয়াদ্রাতের পড়ে বিনো জর্জের কোচিংয়েও ফের জামশেদপুরের বিরুদ্ধে যবনিকা পতন লাল-হলুদের। একেরপর পর গোল করার সুযোগ হাতছাড়া করলেন ক্লেটন সিলভা, মাদি তালাল, সউল ক্রেসপোরা। পেনাল্টি পেয়েও বিপক্ষের গোলে বল জড়াতে পারলেন না ক্রেসপো। ফাঁকা গোলেও বল ঠেলতে না পারার খেসারত দিতে হল দলকে। এই নিয়ে চলতি মরশুমে টানা চারটি ম্যাচ হারল ইস্টবেঙ্গল । আইএসএল ক্রমে হাতের বাইরে যেতে দেখছেন সমকর্থকেরা।  অন্যদিকে বিপক্ষ জামশেদপুর তাঁদের ঘরের মাঠে  ইস্টবেঙ্গলকে হারিয়ে লিগের প্রথম চার ম্যাচের তিনটিতে জয় পেয়েছে।

আরও পড়ুন: ICC WOMEN’S T20 WORLD CUP: বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে ভরাডুবি ভারতের, নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে লজ্জার হার হরমনপ্রীতদের

শনিবার তালাল প্রথম এগারো মিনিটেই বল নিয়ে ঢুকে পড়েছিল জামশেদপুরের গোলে। তবে বল রাখতে পারেননি সঠিক লক্ষে। এর পরে তাঁর পা থেকে একেরপর এক আক্রমন দেখা গেলেও স্কোরবোর্ডে কোনও পরিবর্তন এনে দিতে পারেননি তিনি। এরপর আক্রমন পাল্টা আক্রমনের মধ্যে ২১ মিনিটের মাথায় লাল-হলুদের গোলে বল রাখেন রেই তাচিকাওয়া। জাপানি ফুটবলারের জোরালো শট পলক ঝপকেই ঢুকে যায় গোলে। নীরব দর্শক হয়ে তা দেখেন ইস্টবেঙ্গল দলের গোলরক্ষক দেবজিৎ। এরপর প্রমার্ধের খেলা শেষ হলেও সমতা ফেরাতে পারেনি সিলভার দল। ১ গোলের লিড নিয়েই বিরতিতে যায় জামশেদপুর।

আরও পড়ুন: Ranji Trophy: রঞ্জি ট্রফির প্রথম দুই ম্যাচের দল ঘোষণা, কতটা শক্তিশালী দল গড়ল বাংলা

দ্বিতীয়ার্ধের খেলা শুরু হতেই প্রানপন চেষ্টা শুরু করে ইস্টবেঙ্গল। আজকের ম্যাচে তাঁরা চেষ্টা করেননি বলে ভুল হবে। বেশ কয়েকটি ভালো পাস, গোল লক্ষ করে জোরালো শটও দেখা গিয়েছে ইস্টবেঙ্গলের ফুটবলারদের থেকে। তবে তাঁদের দেখে বোঝা যাচ্ছিল বাড়তি চাপের কারণেই সঠিক ফিনিশ দিতে পারছিল না তাঁরা। তবুও একটা সময় পর্যন্ত সমর্থকেরা মনে করেছিল খেলায় প্রত্যাবর্তন করবে লাল-হলুদ। তবে সেই আশাও মলিন হয় লালচুংনুঙ্গার আত্মঘাতী গোলে। ৭০ মিনিটের মাথায় জামশেদপুরের ইমরান খানের শট বার করতে গিয়ে নিজেদের গোলেই ঢুকিয়ে দেন তিনি। এরপরেই যেন হার নিশ্চিত হয়ে গিয়েছিল ইস্টবেঙ্গলের। নির্ধারিত সময়ের শেষে দুই গোলে পিছিয়ে থেকেই আইএসএলে হারের নজির গড়ল ইস্টবেঙ্গল। 

About Post Author