Home » আধ্যাত্মিকতা আর স্থাপত্যের আশ্চর্য মেলবন্ধনের ভাবনা ধূপগুড়ির এসটিএস ক্লাবের কালীপুজোয়

আধ্যাত্মিকতা আর স্থাপত্যের আশ্চর্য মেলবন্ধনের ভাবনা ধূপগুড়ির এসটিএস ক্লাবের কালীপুজোয়

  পুরন্দর চক্রবর্তী ও সানী রায়, সময় কলকাতা , ২৫ অক্টোবর :মাতিয়ে দে আনন্দময়ী/আনন্দেতে মেতে যাই /তেমনি করে মাতিয়ে দে মা /যেমন মেতেছিলেন রাই।

দুর্গাপুজোর অবসানে হেমন্ত ঋতুতে শ্যামাপুজোর প্রস্তুতি প্রায় শেষ লগ্নে। মা কালীর আরাধনার আয়োজন সর্বাঙ্গীন করে তুলতে সর্বজনীন কালীপুজোর শিল্পী ও উদ্যোক্তারা দিন রাত এক করে পরিশ্রম করছেন। কালী পূজার লগ্ন যে প্রায় সমাগত। উদ্যোক্তারা দর্শকদের টানার জন্য থিমের আয়োজন করেন। আবার অনেক পুজো কমিটির ভাবনায় থাকে শুধুমাত্র আধ্যাত্মিকতা ও পৌরাণিক ভাবনা। অভূতপূর্ব হলেও থিমের পাশাপাশি প্রতিমার মধ্যে দিয়ে আধ্যাত্মিকতা ও ধর্মীয় ভাবনার অপূর্ব মেলবন্ধন ঘটিয়েছে ধূপগুড়ির এসটিএস ক্লাব। ৫৪ তম বর্ষে তাঁদের ভাবনা অনন্য। একদিকে মন্ডপ সজ্জায় মায়ানমারের গোল্ডেন টেম্পল, অন্যদিকে প্রতিমায় কৃষ্ণরূপ ফুটিয়ে তুলেছেন পুজো উদ্যোক্তারা। কালীর আরাধনা হবে তাই অনুচ্চারিত থাকতে পারেন না কৃষ্ণ । উল্লেখ্য,কৃষ্ণকালী বা কৃষ্ণকালীকা হলেন কৃষ্ণ ও কালী র সম্মিলিত রূপ। কৃষ্ণকালী শাক্ত ও বৈষ্ণব উভয় সম্প্রদায়ের কাছেই বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। একদা ব্রজে রাধারানি গোপিনী সহ যখন কৃষ্ণের সাথে বিহার করছিলেন তখন রাধার স্বামী আয়ান ঘোষ সেখানে পৌঁছালে কৃষ্ণ আয়ানের প্রণম্য কালীরূপ ধারণ করেন। এসটিএস ক্লাবের কালীপুজোর আয়োজনে রয়েছেন কৃষ্ণ। মণ্ডপসজ্জায় রয়েছে বিদেশের স্থাপত্য। মায়ানমারের গোল্ডেন টেম্পল এবার দর্শকদের টানতে চলেছে এসটিএস ক্লাব। প্যাগোডার দেশ মায়ানমারের স্বর্ণ মন্দিরকে উত্তরবঙ্গের মানুষের চোখের সামনে তুলে ধরছে এসটিএস। এরকম এক আসমান্য উপহার নিয়ে কালীপুজোয় হাজির এসটিএস।

মন ছুঁয়ে যাওয়া এক পুজো। জাঁকজমক আর নিষ্ঠা, ধর্ম আর রূপের মিশেল। অন্দরমহল আর বহিরঙ্গ আলাদা। একদিকে আধ্যাত্মিকতা অন্যদিকে স্থাপত্যর নমুনা তুলে ধরে মণ্ডপের রুপায়ণ। দুইয়ের মেলবন্ধনে ধূপগুড়ির এসটিএসের শ্যামাপুজো হয়ে উঠেছে স্বপ্নের ঠিকানা – এক মায়াবী পরিমন্ডল।।

আরও পড়ুন ধূপগুড়ি থানার কালীপুজো : মায়াবী কাঁঠাল গাছের অলৌকিক ফলের নৈবেদ্য

About Post Author