স্পোর্টস ডেস্ক, সময় কলকাতা, ১১ ডিসেম্বরঃ সৈয়দ মুস্তাক আলি ট্রফিতে সফর শেষ বাংলার। বুধবার কোয়ার্টার ফাইনালে বরোদার কাছে হারতে হল লক্ষ্মীরতন শুক্লর দলকে। প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ১৭২ রান তুলেছিল বরোদা। জবাবে ১৮ ওভারে ১৩১ রানে শেষ হয়ে গেল বাংলার ইনিংস। ব্যাটিং, বোলিং, ফিল্ডিং তিন বিভাগেই দাপট দেখিয়ে ৪১ রানে ম্যাচ জিতে নিলেন ক্রুণাল পাণ্ডিয়ারা।

বুধবার চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে টসে জিতে প্রথমে বরোদাকে ব্যাট করতে পাঠান বাংলার অধিনায়ক সুদীপ কুমার ঘরামি। এই ম্যাচে সকলের নজর ছিল জাতীয় দলের দুই সতীর্থ মহম্মদ শামি ও হার্দিক পাণ্ডিয়ার দিকে। দলগত লড়াইয়ে শামিকে টেক্কা দিলেও ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সে নিরাশ করলেন দুজনেই। যদিও বরোদার হয়ে দুর্দান্ত শুরু করেন দুই ওপেনার শাশ্বত রাওয়াত ও অভিমন্যু সিং রাজপুত। প্রথম উইকেটের জুটিতে ৯০ রান করেন দুজনে। দশম ওভারে অভিমন্যুকে ফিরিয়ে বরোদার ইনিংসে প্রথম ধাক্কা দেন সক্ষম চৌধুরী। অভিমন্যুকে ৩৭ রানের মাথায় আউট করেন তিনি। পরের ওভারের প্রথম বলেই শাশ্বতকে ফেরান প্রদীপ্ত। নিজের পরের ওভারে বরোদা অধিনায়ক ক্রুণাল পাণ্ডিয়াকেও ফেরান তিনি। এই ম্যাচে বাংলার সফলতম বোলার প্রদীপ্ত। ২ ওভারে ৬ রান দিয়ে নিলেন ২ উইকেট। তাঁকে দিয়ে পরে কেন বোলিং করালেন না বাংলা অধিনায়ক, তা নিয়ে প্রশ্ন থাকবে। ব্যাট হাতে রান পাননি হার্দিকও। ১১ বলে ১০ রান করে তিনি আউট হন। যদিও পাণ্ডিয়া ভাইরা ফিরতে রানের গতি বাড়ে বরোদার। মিডল অর্ডারে নেমে ১১ বলে ১৭ রানের ইনিংস খেলেন ভানু পানিয়া। তাঁকে আউট করেন কনিষ্ক শেঠ। শামির উপর প্রত্যাশা ছিল বাংলা সমর্থকদের। কিন্তু এ দিন তিনি ব্যর্থ নিজের শেষ ওভারে দুই উইকেট নিলেও অনেক রান খরচ করলেন। শিবালিক শর্মা ও অতীত শেঠকে আউট করেন শামি।
আরও পড়ুনঃ UEFA Champions League: ছয়ে ছয়, সালাহর গোলে গিরোনা জয় লিভারপুলের, বড় জয় বায়ার্নের
রান তাড়া করতে নেমে শুরুতেই ব্যাটিং বিপর্যয়ের মুখোমুখি হতে হয় বাংলাকে। প্রথম পাঁচ ওভারের মধ্যেই টপ অর্ডারের চারজন ব্যাটার সাজঘরে ফেরেন। অভিষেক পোড়েলের ২২ রান ছাড়া বাকিরা উল্লেখযোগ্য রান করতে পারেননি। মিডল অর্ডারে লড়াই করছিলেন ঋত্ত্বিক রায়চৌধুরী ও শাহবাজ আহমেদ। ১৮ বলে ২৯ রান করেন হার্দিকের বলে ঋত্ত্বিক ফিরতেই আবার চাপে পড়ে যায় বাংলা। শেষের দিকে একাই লড়াই করছিলেন শাহবাজ। ৩৬ বলে ৫৫ রানে তিনি ফিরতেই বাংলার হার নিশ্চিত হয়ে যায়। ব্যাট হাতে রান না পেলেও বল হাতে তিন উইকেট নেন হার্দিক। তিনি ছাড়াও তিনটে করে উইকেট নেন লুকমান মেরিওয়ালা ও অতীত শেঠ। একটি উইকেট নেন অভিমন্যু সিং রাজপুত। এই ম্যাচ হারের ফলে সৈয়দ মুস্তাক আলি ট্রফি থেকে ছিটকে গেল বাংলা। আর বরোদা চলে গেলে সেমিফাইনালে।


More Stories
এশিয়া কাপে ভারতের মেয়েরা কি জয়যাত্রা অব্যাহত রাখবে?
জেসুস এবার বার্সেলোনায়
ছয় বিদেশীতে মোহনবাগান প্রস্তুত, জেরবার ইস্টবেঙ্গল, কবে আসছেন এফিয়ং?