Home » ‘এক দেশ এক ভোটের’ বিরোধিতায় কল্যাণ, সাকেতকে জেপিসিতে পাঠাবে তৃণমূল

‘এক দেশ এক ভোটের’ বিরোধিতায় কল্যাণ, সাকেতকে জেপিসিতে পাঠাবে তৃণমূল

সময় কলকাতা ডেস্ক, ১৮ ডিসেম্বর: এক দেশ, এক ভোট’ বিলের বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে জয়েন্ট পার্লামেন্টারি কমিটি বা জেপিসিতে দুই সদস্যের নাম চূড়ান্ত করল তৃণমূল। বুধবার দল জানাল, লোকসভার সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় ও রাজ্যসভার সাংসদ সাকেত গোখলেকে এই কমিটির সদস্য হিসেবে পাঠানো হবে। যৌথ সংসদীয় কমিটিতে এই বিলের বিরোধিতায় যুক্তি পেশ করবেন তাঁরা। গতকাল সংসদের কল্যাণকে এই বিল নিয়ে বিজেপির বিরোধিতা করতে দেখা গিয়েছিল। এবার জেপিসিতে গিয়ে তৃণমূলের হয়ে সেই কাজ করবেন সাংসদ।

আরও পড়ুন: স্বাস্থ্য পরীক্ষার পর গোটা রাত নিজাম প্যালেসেই কাটল ‘কালীঘাটের কাকু’র 

বিরোধীদের শত আপত্তি থাকার সত্ত্বেও বহুমত পাওয়ায় মঙ্গলবার সংসদে পেশ হয়েছে ‘এক দেশ, এক ভোট’ বিল। আপাতত যা পাঠানো হয়েছে জেপিসি। এদিকে শুক্রবার শেষ হচ্ছে শীতকালীন অধিবেশন। তার আগে দ্রুত কমিটি গঠন করতে রাজনৈতিক দলগুলিকে সদস্যের নাম প্রস্তাবের নির্দেশ দিয়েছেন স্পিকার ওম বিড়লা। সেই মতোই তৃণমূলের তরফে এই কমিটির জন্য দুই সদস্যের নাম চূড়ান্ত করা হল। বুধবার তৃণমূলের তরফে জানানো হয়েছে, জেপিসিতে এই বিলের বিরোধিতায় সোচ্চার হবেন লোকসভার সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় ও রাজ্যসভার সাংসদ সাকেত গোখলে।

আরও পড়ুন: Border Gavaskar Trophy: বৃষ্টিবিঘ্নিত গাব্বা টেস্ট ড্র, বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে সুবিধে হল রোহিতদের?

সংসদের যৌথ কমিটির নিয়মঅনুযায়ী এখানে সর্বাধিক ৩১ জন সদস্য থাকতে পারেন, যার মধ্যে ২১ জন লোকসভার ও বাকি রাজ্যসভার সদস্য। এমনিতে এই সংসদীয় কমিটির মেয়াদ ৯০ দিন। তবে প্রয়োজনে তা বাড়ানো হতে পারে। এই কমিটি বিচার করবে ‘এক দেশ, এক ভোট’ সংক্রান্ত দুটি বিলে কোথাও কোনও সংশোধন বা সংযোজনের প্রয়োজন রয়েছে কিনা। এর পর বিল দুটি পেশ হবে লোকসভায়। সেখানে পাশ হলে, রাজ্যসভা হয়ে বিল দুটি যাবে রাষ্ট্রপতির কাছে। রাষ্ট্রপতির শিলমোহরের পরই আইনে পরিণত হবে বিলটি। তবে লোকসভা হোক বা রাজ্যসভা বিলটি পাশ করাতে দুই তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রয়োজন মোদি সরকারের। যা কোনও কক্ষেই সরকারের কাছে নেই।

About Post Author