সময় কলকাতা ডেস্ক:- বর্ষার মরসুম আসার আগেই বিহারে ঝড়ের তাণ্ডব। ঘন ঘন বজ্রপাতে গত ৪৮ ঘণ্টায় একাধিক জেলায় মৃত্যু হয়েছে ১৯ জনের। এছাড়াও ঝড়ের কারণে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে ফসলের। মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার মৃতদের পরিবারপিছু ৪ লক্ষ টাকা করে আর্থিক সাহায্যের কথা ঘোষণা করেছেন। জেলা প্রশাসন ফসলের ক্ষতির হিসাব শুরু করছে। প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে ক্ষতিগ্রস্ত চাষিদের সাহায্য করবে সরকার। এদিকে আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, আগামী ১২ এপ্রিল পর্যন্ত দুর্যোগ চলবে বিহারে।
বজ্রপাতের পাশাপাশি শিলাবৃষ্টি ও ঝোড়ো বাতাসের কারণে একাধিক জেলায় রবি ফসলের ক্ষতি হয়েছে। খবর আসছে দ্বারভাঙ্গা, সমস্তিপুর, মধুবনী, মুজাফ্ফরপুর, সীতামারি, শিবহর এবং পূর্ব চম্পারনে গম, আম ও লিচুর বিরাট ক্ষতি হয়ে গিয়েছে। মাথায় হাত পড়েছে স্থানীয় চাষিদের। তাঁরা জানাচ্ছেন, কয়েক সপ্তাহ পরে ঘরে ফসল তোলার কথা ছিল। তার আগেই বিপর্যয় ঘটল।
অন্যদিকে, তীব্র বেগের বাতাস এবং শিলাবৃষ্টির কারণে ব্যাহত হয়েছে সাধারণ জনজীবন। বেগুসরাই ও দ্বারভাঙ্গা জেলায় ৫ জন করে মোট ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে বজ্রপাতে। মধুবনীতে ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। সাহারসায় ২ জন এবং সমস্তিপুরে ২ জনের প্রাণ গিয়েছে। একজন করে মারা গিয়েছেন লাখিসরাই ও গয়াতে।
এত প্রাণহানির প্রেক্ষিতে বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার জানিয়েছেন, নিহতদের প্রত্যেককে চার লক্ষ টাকা করে দেওয়া হবে। তিনি রাজ্যবাসীর উদ্দেশ্যে আবেদন জানিয়েছেন, ঝড়-বৃষ্টির সময় বাড়ির ভেতরে থাকুন। খোলা জায়গায় থাকবেন না।
ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের আবহাওয়া দপ্তর তরফে বুধবার ও বৃহস্পতিবারের জন্য কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে বিহারের নয়টি জেলাতে। এবং দুটি জেলায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা আছে বলে জানানো হয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই বজ্রপাতে একসঙ্গে এতজনের মৃত্যুতে বিহারের গ্রামাঞ্চলে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।


More Stories
কলকাতায় পেট্রোলের দাম লিটারে ৪ পয়সা কমল, ডিজেল বাড়ল ৯৪ পয়সা
পুলওয়ামা হামলার মাস্টারমাইন্ড হামজা বুরহান খ*তম , কে এই হামজা?
ককরোচ জনতা পার্টির এক্স হ্যান্ডেল নিষিদ্ধ!