Home » সংঘাতের আবহে তিন সেনার প্রধানের সঙ্গে ‘হাসিমুখে’ বৈঠক রাজনাথের, রাজ্যের মুখ্যসচিবদের ‘ফ্রি হ্যান্ড’ শাহের

সংঘাতের আবহে তিন সেনার প্রধানের সঙ্গে ‘হাসিমুখে’ বৈঠক রাজনাথের, রাজ্যের মুখ্যসচিবদের ‘ফ্রি হ্যান্ড’ শাহের

সময় কলকাতা ডেস্ক:- সীমান্তে উত্তাপ বাড়ছে। মাঝেমধ্যেই সীমান্তর ওপাশ থেকে উড়ে আসছে গুলি-ড্রোন-মিসাইল। ভারত-পাকিস্তান, দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যে সংঘাত চলছে। এই পরিস্থিতিতে শুক্রবার সাউথ ব্লকে তিন সেনা প্রধানের সঙ্গে রুদ্ধদ্বার বৈঠক সারলেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন সেনা সর্বাধিনায়ক অনিল চৌহানও। বৈঠকের একটি ছবি ইতিমধ্যেই প্রকাশ্যে এসেছে। দেখা যাচ্ছে, সকলের মুখেই রয়েছে মৃদু হাসি। এই হাসির নেপথ্যে কী? এবার কি তাহলে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে আরও বড় প্রত্যাঘাতের ছক তৈরি?

বৃহস্পতিবার রাত বাড়তেই জল, স্থল ও আকাশপথে একযোগে প্রত্যাঘাত চালিয়েছে ভারতীয় সেনা। আক্রমণে তছনছ দেশের অন্দরেই বিদ্রোহ তুঙ্গে, এমনকী শীর্ষকর্তাই রাষ্ট্রদ্রোহের নিশানায়। সবমিলিয়ে বিধ্বস্ত, ছন্নছাড়া, দিশাহারা পাকিস্তান। পাক হামলার পাল্টা ভারতীয় অ্যাকশন বৃহস্পতিবার বিকেল থেকেই ধাপে ধাপে বাড়ছিল। রাত বাড়তেই জল, স্থল ও আকাশপথে একযোগে ভারতীয় সেনার আক্রমণে পাকিস্তানি প্রতিরোধ খান খান। বেশি রাতের খবর, করাচি বন্দরে বড়সড় হামলা চালিয়েছে ভারত। ৮ থেকে ১২ টি বিস্ফোরণের শব্দ পাওয়া গিয়েছে বলে খবর। আইএনএস বিক্রান্ত করাচি বন্দরে হামলা চালিয়েছে।

পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামবাদেও বড়সড় বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গিয়েছে। সূত্রের দাবি, অন্তত ১৬ টি পাক শহরে একযোগে চলে ভারতের অ্যাকশন। এই পরিস্থিতিতে জম্মুর আকাশে ড্রোন উড়িয়ে ও পাক অধিকৃত কাশ্মীরের সীমান্ত বরাবর গুলিবর্ষণ অব্যাহত রেখে পাল্টা জবাব দেওয়ার চেষ্টা করলেও পাকিস্তান আদৌ হালে পানি পায়নি।

এমন পরিস্থিতিতে শুক্রবার সকালে নয়াদিল্লিতে নিজের বাসভবনে বিমানবন্দরের নিরাপত্তা নিয়ে বিএসএফ এবং সিআইএসএফের প্রধানদের সঙ্গে একটি বৈঠক করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। অপারেশন সিঁদুরের পর দেশের মোট ২৮ টি বিমানবন্দর ইতিমধ্যেই বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, কড়া নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলা হয়েছে বাকি বিমানবন্দরগুলি। এই পরিস্থিতিতে আগামী দিনে কী পদক্ষেপ করা হতে পারে, সেই নিয়েই এই বৈঠকে আলোচনা হয়েছে বলে সূত্রের খবর।

শুক্রবার রাজ্যের মুখ্যসচিব ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের প্রশাসকদের বিশেষ ক্ষমতা দিল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে প্রয়োজনে তাঁরা জরুরি ক্ষমতা ব্যবহার করতে পারবে। শুক্রবার চিঠি দিয়ে জানিয়ে দিল অমিত শাহের মন্ত্রক।

চিঠিতে বলা হয়েছে, ১৯৬৮ সালের অসামরিক প্রতিরক্ষা বিধির ১১ নম্বর ধারা অনুযায়ী প্রদত্ত জরুরি অবস্থার ক্ষমতা বলবৎ করতে পারেন রাজ্যের মুখ্যসচিব এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের প্রশাসকরা। যার সাহায্য়ে যুদ্ধের মতো জরুরি পরিস্থিতিতে জনগণ, সরকারি সম্পত্তি রক্ষা, প্রয়োজনীয় পরিষেবা চালু রাখার জন্য দ্রুত পদক্ষেপ করতে পারে। কেন্দ্রের মুখাপেক্ষী হয়ে থাকার প্রয়োজন নেই। অযথা লালফিতের জটে আটকাবে না সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত।

 

 

About Post Author