সময় কলকাতা ডেস্ক:- বিজেপির সাংগঠনিক বিষয়ে সচরাচর নাক গলান না বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বিজেপির পরিষদীয় দল নিয়েই ব্যস্ত থাকেন। কিন্তু ২৬–এর বিধানসভা ভোটের আগে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব শুভেন্দুকে সংগঠনের কাজেও ‘ব্যবহার’ করতে চাইছেন। সূত্রের খবর, ইতিমধ্যেই তাঁকে বেশ কিছু সাংগঠনিক দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। বিধানসভা ভোটের আগে সংগঠক শুভেন্দুকে মাঠে নামানোর কৌশল নিয়েছে গেরুয়া শিবির।
যদিও দিলীপ ঘোষ পন্থীরা মনে করছেন, দলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের নির্দেশ মতো শুভেন্দু এ বার নিয়মিত দলের সংগঠনে মাথা ঘামাতে শুরু করলে পার্টির অনেকেই সাংগঠনিক বৈঠকগুলিতে ‘আনকমফোর্ট ফিল’ করবেন।
২৬-এর বিধানসভা ভোটে সর্বশক্তি দিয়ে লড়তে চাইলে বুথস্তর পর্যন্ত সংগঠন আরও মজবুত করার কথাও বলেছেন শুভেন্দু। যা দেখে বিজেপির এক প্রবীণ নেতার মন্তব্য, ‘প্রথম বৈঠকেই ছয় হাঁকিয়েছেন শুভেন্দু। বঙ্গ-বিজেপির সংগঠন যে নড়বড়ে, সেটা তিনি বৈঠকে চেপে রেখেননি। এতদিন দলের সাংগঠনিক বিষয়ে নাক না গলালেও দিল্লি এখন চাইছে তিনি নাক গলান। নির্বাচনের আগে সংগঠনকে মজবুত করুন।’
খাতায়-কলমে এ রাজ্যে বিজেপির সদস্য সংখ্যা ৬১ লক্ষ। কিন্তু দলীয় কর্মসূচিতে তাঁদের দেখা যায় না কেন, এই প্রশ্ন তুলে বিরোধী দলনেতা আকারে ইঙ্গিতে বুঝিয়ে দিয়েছেন যে, পার্টির সদস্য সংগ্রহ অভিযানেও জল মেশানো হয়েছে। বিভিন্ন জেলায় বিজেপির কর্মসূচিগুলিতে কেন ১০০-১৫০ জনের বেশি কর্মীর ভিড় হয় না, সেই প্রশ্নও সাংগঠনিক বৈঠকে তুলেছেন তিনি।
সম্প্রতি সল্টলেকে রাজ্য বিজেপির একটি সাংগঠনিক বৈঠকে হাজির ছিলেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা। দলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব এবং রাজ্যের সাংগঠনিক নেতাদের উপস্থিতিতে ওই বৈঠকে ভাষণও দেন শুভেন্দু। তাৎপর্যপূর্ণ হলো, সেখানে তিনি বঙ্গ–বিজেপির সাংগঠনিক ত্রুটিগুলি ধরিয়ে দেওয়ার পাশাপাশি বহুক্ষেত্রে যে জল মেশানো সাংগঠনিক রিপোর্ট দিল্লিতে পাঠানো হয়, সেটাও ঠারেঠোরে কেন্দ্রীয় নেতাদের বুঝিয়ে দিয়েছেন।


More Stories
মোথাবাড়ি কাণ্ডের অশান্তির নেপথ্য “খলনায়ক” মোফাক্কেরুল ইসলাম গ্রেফতার কিসের ইঙ্গিত?
আরেক অভিনেতা প্রণবের অকালপ্রয়াণ
কেন ফুল বদলালেন লিয়েন্ডার পেজ?