Home » তৃণমূলের প্ররোচনায় হিংসা, নিষ্ক্রিয় ছিল পুলিশ! মুর্শিদাবাদ নিয়ে রিপোর্ট আদালত গঠিত কমিটির

তৃণমূলের প্ররোচনায় হিংসা, নিষ্ক্রিয় ছিল পুলিশ! মুর্শিদাবাদ নিয়ে রিপোর্ট আদালত গঠিত কমিটির

সময় কলকাতা ডেস্ক:- মুর্শিদাবাদে ওয়াকফ বিরোধিতার নামে যে অশান্তির ঘটনা ঘটেছিল তার তদন্তে কলকাতা হাইকোর্টের তরফে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছিল। বুধবার সেই কমিটিই চাঞ্চল্যকর একটি রিপোর্ট দিয়েছে। তাঁদের দাবি, পুলিশ সম্পূর্ণভাবে নিষ্ক্রিয় ছিল। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষেত্রে কিছুই করেনি। জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের রেজিস্ট্রার যোগিন্দর সিং, রাজ্য জুডিশিয়ার সার্ভিসেসের সচিব অর্ণব ঘোষাল ও রাজ্য জুডিশিয়াল সার্ভিসেসের রেজিস্ট্রার সৌগত চক্রবর্তীকে নিয়ে কলকাতা হাইকোর্ট গড়েছিল এই ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিম। তাঁরাই বুধবার রিপোর্ট দিয়েছে জানিয়েছে, মুর্শিদাবাদের সাম্প্রদায়িক হিংসা পূর্বপরিকল্পিত এবং এর পিছনে স্থানীয় একাধিক নেতার মদত রয়েছে।

কমিটির রিপোর্টে বলা হয়েছে, একাধিক তৃণমূল নেতা হিংসার প্ররোচনা দিয়েছিলেন। আর হিংসা হচ্ছে দেখেও পুলিশ নিষ্ক্রিয় ছিল। ধুলিয়ান পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান মেহেবুব আলমকে মূল দোষী হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে এই রিপোর্টে। তদন্ত কমিটির সাফ কথা, আলম ধুলিয়ান পুরসভার প্রশাসকও ছিলেন কিন্তু হামলাকারীদের সঙ্গে তাঁর সরাসরি যোগ ছিল। একই সঙ্গে এও উল্লেখ করা হয়েছে, তৃণমূলের এক বিধায়ক ঘটনার দিন হিংসা ছড়িয়ে পড়ার পর এলাকা ছেড়ে চলে গিয়েছিলেন। তিনিও অশান্তি রুখতে কোনও পদক্ষেপ নেননি।

পুলিশের ভূমিকা নিয়েও নানা প্রশ্ন তোলা হয়েছে এই ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটির রিপোর্টে। তাঁদের বক্তব্য, এলাকায় যখন হিংসা ছড়িয়ে পড়ে, যখন দোকান, বাড়ি ভাঙচুর করা হচ্ছে, সেই সময় পুলিশ দর্শকের ভূমিকায় ছিল। হিংসা আটকাতে কোনও রকম চেষ্টাই করেনি। হিংসায় শুধুমাত্র বেতবোনা গ্রামে ১১৩টি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

মুর্শিদাবাদে হিংসা নিয়ে আদালত গঠিত কমিটির রিপোর্ট ঘিরেই জোর শোরগোল রাজনৈতিক আঙিনায়।

About Post Author