সময় কলকাতা ডেস্ক:- দোকান বসানোকে কেন্দ্র করে বুধবার মহেশতলায় গোলমালের পরিস্থিতি তৈরি হয়। বেশ কয়েকটি দোকান ও বাড়িতে ভাঙচুর করা হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গিয়ে আক্রান্ত হয় পুলিশও। ঘটনায় জখম পুলিশের একাধিক আধিকারিক ও কর্মী। এরপরই এলাকার দখল নেয় বিশাল পুলিশ বাহিনী। তবে পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে।
পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে, রবীন্দ্রনগর থানা এলাকায়। জারি হয়েছে ১৬৩ ধারাও। ঘটনায় জারি রয়েছে ধরপাকড়। পুলিশের অভিযান চলছে। গ্রেফতারির সংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে। বুধবারের ঘটনাকে কেন্দ্র করে পুলিশ কর্মীদের অভিযোগের ভিত্তিতে তিনটি এফআইআর দায়ের করা হয়েছে।
পুলিশ মনে করছে, যাঁরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, তাঁরা এগিয়ে এলে এফআইআর-এর সংখ্যা বাড়বে। বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই রবীন্দ্রনগর থানা এলাকায় বাড়তি পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এলাকায় প্রায় সব দোকানপাট বন্ধ বৃহস্পতিবারও। বুধবারের গোষ্ঠী সংঘর্ষের পর রবীন্দ্র নগরে মোতায়েন রয়েছে প্রচুর পুলিশ। আকরা স্টেশন থেকে রবীন্দ্র নগর থেকে বড়তলা পর্যন্ত মোতায়েন পুলিশ। বেশিরভাগ দোকান বন্ধ।
থানার সামনে বাড়তি পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। যেসব জায়গাতে ভাঙচুর ও ইট বৃষ্টি হয়েছিল সেইসব জায়গা পরিষ্কার করে দেওয়া হয়েছে। এলাকায় পুলিশ টহল ও মাইকিং করা হচ্ছে। মাইকিংয়ের মাধ্যমে পুলিশের তরফে এলাকায় জমায়েত করতে নিষেধ করা হচ্ছে। এলাকায় এখনও থমথমে পরিবেশ রয়েছে। ভুয়ো খবর না ছড়ানোর আবেদন জানানো হয়েছে।
পুলিশের বার্তা, শান্তি বজায় রাখার দায়িত্ব সকলের। কেউ শান্তিভঙ্গের চেষ্টা করলে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করা হবে।


More Stories
মোথাবাড়ি কাণ্ডের অশান্তির নেপথ্য “খলনায়ক” মোফাক্কেরুল ইসলাম গ্রেফতার কিসের ইঙ্গিত?
আরেক অভিনেতা প্রণবের অকালপ্রয়াণ
মার্চেই বকেয়া ডিএ দেওয়ার উদ্যোগ : এসওপি জারি