Home » সরাসরি যুদ্ধে এন্ট্রি ট্রাম্পের !আমেরিকার আক্রমণে কেঁপে উঠল ইরান!৩ টি পারমাণবিক কেন্দ্র গুড়িয়ে দিল মার্কিন যুদ্ধ বিমান

সরাসরি যুদ্ধে এন্ট্রি ট্রাম্পের !আমেরিকার আক্রমণে কেঁপে উঠল ইরান!৩ টি পারমাণবিক কেন্দ্র গুড়িয়ে দিল মার্কিন যুদ্ধ বিমান

সময় কলকাতা ডেস্ক:-মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধে সরাসরি এন্ট্রি আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ! আমেরিকার আক্রমণে কেঁপে উঠল ইরান! পরপর তিনটি পারমাণবিক কেন্দ্র গুড়িয়ে দিল মার্কিন যুদ্ধ বিমান। ইতিহাস আমেরিকার এই পদক্ষেপকে মনে রাখবে, ট্রাম্পের প্রশংসায় পঞ্চমুখ ইজরায়েল।আগেই দিয়েছিল হুঁশিয়ারি। শেষ পর্যন্ত হামলাটা করেই দিল আমেরিকা। ইরান-ইজরায়েল যুদ্ধে এবার সরাসরি জড়িয়ে পড়ল ট্রাম্পের দেশ। ইরানের তিন তিনটি নিউক্লিয়ার সাইটে হানা মার্কিন সেনার। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা করেন, আমেরিকার সেনাবাহিনী ইরানের ফোরদো, নাতানজ ও ইসফাহানে অবস্থিত তিনটি পারমাণবিক কেন্দ্রে সফল ভাবে হামলা চালিয়েছে। পশ্চিম এশিয়ার দাদাগিরি আর চলবে না – এমন ভাষাতেই ইরানের পরমাণু কেন্দ্রে আমেরিকার সফল বিমান হামলার ঘোষণা করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ফোরদো, নাতানজ, ইসফাহান সাইটে হামলা করে মার্কিন বোমারু বিমান বি-২ স্টেলথ। তাতেই বিশ্বজুড়ে উদ্বেগের মেঘ। হামলার পর ট্রাম্প স্যোশাল মিডিয়ায় জানিয়েছেন, টার্গেট পূরণের পর ইরান এয়ারস্পেসের বাইরে চলে এসেছে মার্কিন বোমারুবিমানগুলি। অভিযান সফল হতেই ইতিমধ্যেই মার্কিন সেনাকে অভিনন্দনও জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

জাতির উদ্দেশে ভাষণ

ইরানে হামলার পরই হোয়াইট হাউসে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। ইরানকে সন্ত্রাসবাদের এক নম্বর পৃষ্ঠপোষক বলে দেগে দিয়ে তিনি দাবি করেন, আমেরিকার এটাই উদ্দেশ্য ছিল। সেটা হল ইরানের পরমাণু সমৃদ্ধিকরণের ক্ষমতাকে ধ্বংস করে দেওয়া।একই সঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্ট হুঁশিয়ারির সুরে জানিয়েছেন, এবার শান্তির সময়। তাঁর হুঁশিয়ারি, ইরানের আরও বেশ কয়েকটি জায়গায় আমেরিকা নিশানা সেধে রেখেছে। ইরান যদি শান্তির পথে না ফেরে তাহলে ফলাফল ভয়াবহ হবে। আমেরিকা এবার দ্রুততার সঙ্গে প্রাণঘাতী হামলা চালাবে।

জানা গিয়েছে, হামলার পর ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গেও কথা হয়েছে মার্কিন প্রেসিডেন্টের। ট্রাম্প তাঁর ভাষণে ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, একসঙ্গে এমনভাবে কাজ করেছেন, যা এর আগে কেউ দেখেনি। ইজরায়েলি সেনাবাহিনী অসাধারণ কাজ করেছে বলে জানান ট্রাম্প।
এদিকে, আমেরিকার ইরানে হামলার পর ট্রাম্পের প্রশংসায় পঞ্চমুখ ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। দাবি করেন, ইতিহাস আমেরিকার এই পদক্ষেপকে মনে রাখবে।এদিকে মার্কিন হামলার কথা স্বীকার করে নিয়েছে ইরানও। তবে তেহেরানের দাবি, এই হামলা প্রত্যাশিত ছিল। এবং তাতে বিশেষ ক্ষতি হয়নি। তাৎপর্যপূর্ণভাবে শুক্রবারই ট্রাম্প জানিয়েছিলেন, ইরানকে পরমাণু অস্ত্র গবেষণা বন্ধের জন্য দু’সপ্তাহ সময় দিতে চান তিনি। কিন্তু সেই সময়সীমার অনেক আগেই ইরানে হামলা চালিয়ে দিল মার্কিন সেনা। অভ্যন্তরীণ সিদ্ধান্তের দোলাচল কাটিয়ে এটি ট্রাম্পের সাহসী ঘোষণা বলে মনে করা হচ্ছে। হামলার আগে হোয়াইট হাউসে দীর্ঘ অভ্যন্তরীণ বিতর্ক চলছিল। শেষ পর্যন্ত নিজের নির্ধারিত দু’সপ্তাহের সময়সীমার আগেই ট্রাম্প এই অভিযান চালান, যা মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনাকে এক অজানা গন্তব্যে পৌঁছে দিয়েছে। এখন দেখার প্রত্যুত্তরে ইরান ঠিক কী পদক্ষেপ করে। চুপ থাকবে নাকি পাল্টা হামলা? পাশে পাবে রাশিয়া, চিনের মতো বিশ্বের অন্যতম শক্তিধরদের? এই প্রশ্নেই এখন স্নায়ুর চাপ বাড়ছে গোটা বিশ্বের।

About Post Author