দুর্গা পুজোয় বিপুল ব্যবসা বাড়ল রাজ্যের। কেন এই বিপুল বৃদ্ধি? মনে করা হচ্ছে, কর্পোরেট স্পনসরশিপ, শপিং মলে বহু মানুষের সমাগম, ভোগ্যপণ্যের ক্রমবর্ধমান ব্যয় এবং মানুষের মধ্যে ইতিবাচক মনোভাব এই বৃদ্ধির প্রধান কারণ। রাজ্যের অর্থমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য পিটিআইকে জানিয়েছেন, নিশ্চিতভাবেই পুজোর অর্থনীতি এবার আরও শক্তিশালী হয়ে উঠেছে। তাঁর কথায়, ”এবছর পুজোর অর্থনীতি নিশ্চিতভাবেই আরও শক্তিশালী আকার ধারণ করেছে। তবে এখনই নির্দিষ্ট কোনও অঙ্ক বলা কঠিন। আপাতত আমরা অপেক্ষা করব সমস্ত দপ্তর খোলার। তখনই সঠিক তথ্যটা পাওয়া যাবে।”
বাংলায় বড় বিনিয়োগ করতে চলেছে JSW গ্রুপ। বিজয়া দশমীতে সুরুচি সংঘের পুজোয় এসে এই আশার কথাই শোনালেন সংস্থার কর্ণধার সজ্জন জিন্দল। একই সঙ্গে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সহযোগিতার ভূয়ষী প্রশংসা করেন তিনি। সজ্জনের স্ত্রী সঙ্গীতা জিন্দল বাংলায় আর্ট স্কুল করার ইচ্ছা প্রকাশ করেন। মুম্বইয়ের গণপতি উৎসবের থেকেও বাংলার শারদোৎসবকে এগিয়ে রাখলেন জিন্দল দম্পতি। বললেন, কলকাতার দুর্গাপুজো মুম্বইয়ের গণপতি উৎসবের থেকে অনেক আলাদা মাত্রার।
সড়ম্বরে নির্বিঘ্নেই কেটেছে দুর্গাপুজো। এবার রেড রোডে পুজোর কার্নিভাল আর সেই দিন থেকেই শুরু হবে বিজয় সম্মিলনী। কমপক্ষে ৫০ জন নেতানেত্রী বক্তাদের তালিকায় থাকবেন। ৫ অক্টোবর থেকেই তৃণমূলের এই কর্মসূচি শুরু হবে। তৃণমূল সূত্রের খবর, এই কর্মসূচির কথা দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন। ৫০জনের বেশি নেতা, মন্ত্রী সাংসদ, বিধায়ক এই বিজয়া সম্মেলনীর অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে তাঁরা যাবেন। ব্লকে ব্লকে পৌঁছে সৌজন্য বিনিময় করবেন। কথা বলবেন স্থানীয়দের সঙ্গে।
–
–
–
–
–


More Stories
ঋতব্রত সন্দীপনের বহিষ্কারের চিঠিতে কী কী লেখা হয়েছে?
বঙ্গে পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রিসভার গঠন
অভিষেক নিগ্রহ পর্ব : আদতে হয়েছিল কী? বিভিন্ন রাজনৈতিক মহল, নেতা-নেত্রীরা কী বলছেন!