সময় কলকাতা ডেস্ক, ১ অগাস্ট : ছিন্নমূলদের অহংকার ও আত্মসম্মানের আরেক নাম ইস্টবেঙ্গল, ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের প্রতিষ্ঠা দিবসে বললেন পর্যটন মন্ত্রী শঙ্কর ঘোষ । খেলোয়াড় আসে চলে যায়, কোচ আসেন চলে যান, থেকে যায় সমর্থকরা – থেকে যায় আবেগ ও ক্লাব ঘিরে অহংকার ও আত্মসম্মান। লাল হলুদ জার্সি ঘিরে যে স্পর্ধা, সেই স্পর্ধা প্রতিষ্ঠা করার লড়াই শুরু হয়েছিল ১৯২০ সালের যে দিনটিতে, সেই দিনকে স্মরণ করে শিলিগুড়ি ইস্টবেঙ্গল ফ্যান ক্লাব উদযাপন করল ক্লাবের ১০৭ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী।
অধুনা বাংলাদেশের অন্তর্গত টাঙ্গাইলের নাগরপুরের জমিদার ছিলেন সুরেশচন্দ্র চৌধুরী। কলকাতায় তাঁর জোড়াবাগানের বাড়িতে প্রথম ক্লাব গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এরপর ১৯২০ সালের ১ আগস্ট কলকাতার বিখ্যাত ময়দান তাঁবুতে আনুষ্ঠানিকভাবে ইস্টবেঙ্গল ক্লাব যাত্রা শুরু করে।প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ছিলেন সুরেশচন্দ্র চৌধুরী, শৈলেশ বসু এবং সারদারঞ্জন রায় (যিনি ক্লাবের প্রথম সভাপতি ছিলেন)। সময়ের সাথে সাথে ছিন্নমূলদের প্রাণের স্পন্দন জড়িয়ে গিয়েছে লাল হলুদের সঙ্গে। আজ ১০৭ বছর পরে ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের সদস্য এবং সমর্থক সংখ্যা সবমিলিয়ে কোটির গন্ডি ছাড়িয়েছে।
সারা রাজ্যের মত উত্তরবঙ্গেও উদযাপিত হল ইস্টবেঙ্গলের ঐতিহ্যময় দিনটি। কচিকাঁচা থেকে বৃদ্ধ- বিভিন্ন বয়সের সমর্থকদের ভিড়ে অনুষ্ঠান ঘিরে ছিল উদ্দীপনা, ছিল লাল হলুদ রঙের সমারোহ। মন্ত্রী শঙ্কর ঘোষ ফুটবলের উন্নতিকল্পে প্রতিশ্রুতি দিয়ে গেলেন ক্লাব ঘিরে উন্মাদনার দিনে।তবে জন্ম লগ্নের স্মরণে সবকিছু ছাপিয়ে ফুটে উঠল আত্মসম্মান আর অহংকারের ইতিহাস।।


More Stories
বিশ্বকাপে ইতালির ট্র্যাজিক নায়ক ফ্রাঙ্কো বারেসি প্রয়াত
ভারতের সর্বকালের সবচেয়ে সফল টেস্ট অধিনায়ক রাহানের প্রস্থান, অবসর আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে
জিম্বাবুয়ের বিরুদ্ধে টি-টোয়েন্টি সিরিজে ভারতের প্রাপ্তিযোগ