Home » দুর্গত মানুষদের সাহায্য, বন্যার জন্য ভুটানের থেকে ক্ষতিপূরণ চাইলেন মমতা

দুর্গত মানুষদের সাহায্য, বন্যার জন্য ভুটানের থেকে ক্ষতিপূরণ চাইলেন মমতা

উত্তরবঙ্গের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে গত বুধবারই কলকাতায় ফিরেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিন দিন পর, রবিবার আবার তিনি উত্তরবঙ্গে গিয়েছেন। রবিবার আলিপুরদুয়ারের বিভিন্ন জায়গার পরিস্থিতি ঘুরে দেখেন মমতা। তার পর সোমবার সকালে রওনা দেন নাগরাকাটার উদ্দেশে। প্রথমেই বামনডাঙায় যান মমতা। সেখানে সাত জনের হাতে চাকরির নিয়োগপত্র তুলে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

মমতা বলেন, ‘‘আমরা অনেক দিন ধরে বলছি ইন্দো-ভুটান নদী কমিশন গড়া হোক এবং তার সদস্য করা হোক বাংলাকে। ভুটানের জলেই এত বড় ঘটনা ঘটেছে। আমরা চাই ওরা ক্ষতিপূরণ দিক।’’

উত্তরের বন্যায় যখন ঘরবাড়ির সঙ্গে ভেসে গিয়েছিল অসংখ্য মানুষের হাসি, তখনও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ছিলেন তাঁদের পাশে। দ্বিতীয় দফায় সোমবার উত্তরবঙ্গে এসে যান নাগরাকাটার বামনডাঙা এলাকার টুন্ডু গ্রামে। সেখানে প্রমাণ করলেন, বিপর্যয়ের দিন হোক বা পুনর্গঠনের কাজে, তিনি মানুষের মুখের হাসিটাই ফিরিয়ে দিতে চান সবার আগে। এই সফরে তিনি প্রতিশ্রুতিমতোই দুর্গত পরিবারগুলির হাতে তুলে দিলেন সরকারি নথিপত্র, ক্ষতিপূরণের চেক এবং সরকারি চাকরির নিয়োগপত্র। মঞ্চেই ছিলেন কোচবিহার জেলার মাথাভাঙার বন্যায় প্রাণহারানো দশ বছরের ছোট্ট মৃন্ময় বর্মনের মা জয়ন্তী বর্মন। হাতে ছেলের মৃত্যুর ক্ষতিপূরণের কাগজ, অথচ চোখে শুধু হারানোর ব্যথা

উত্তরবঙ্গের ভয়াবহ বন্যায় ধূপগুড়ি মহকুমার গধেয়ারকুঠি গ্রাম পঞ্চায়েতের কুল্লাপাড়া ও কুর্শামারি বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। রেল লাইন সংলগ্ন গুরুত্বপূর্ণ সেতুটি বন্যার জলের তোড়ে ভেঙে পড়ে। সেতু না থাকায় ত্রাণ ও উদ্ধারকার্যেও দেখা দেয় সমস্যা। প্রশাসনের কর্মীদের কয়েক কিলোমিটার ঘুরে পৌঁছতে হচ্ছে দুর্গত গ্রামে। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে দ্রুত ব্যবস্থা নেন স্থানীয় প্রশাসন। ভাঙা সেতুর পাশে অস্থায়ীভাবে তৈরি করা হয় বাঁশের সাঁকো যাতে অন্তত প্রয়োজনীয় যাতায়াত ও ত্রাণ বিতরণ চালিয়ে যাওয়া যায়।

About Post Author