সময় কলকাতা, ৭ ফেব্রুয়ারি : অভিযোগকারিনী বলছেন, মারধর এবং যৌন নিগ্রহ করা হয়েছে ভালোবাসার দোহাই দিয়ে। কনটেন্ট ক্রিয়েটের নামে দেখা করে পাশের ঘরে অভিযুক্তের বাবা-মা থাকলেও যৌন নিগ্রহ করতে অভিযুক্ত। আর এই অভিযোগে ইনফ্লুয়েন্সার শমীক অধিকারীর ১০ দিনের পুলিশি হেফাজত দেওয়া হয়েছে। শমীক অবশ্য বলছেন, তাঁকে ফাঁসানো হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার শমীক অধিকারী, ২২ বছর বয়সী এক মহিলাকে তার বেহালা অ্যাপার্টমেন্টে ১২ ঘন্টারও বেশি সময় ধরে আটকে রাখে। তাঁকে মারধর ও ধর্ষণের অভিযোগও উঠেছে। অভিযুক্ত, শুক্রবার শমীককে আলিপুর আদালতে তোলা হলে তাকে ১০ দিনের পুলিশ হেফাজতে নির্দেশ দেওয়া হয়।
বান্ধবী ও কনটেন্ট ক্রিয়েটরকে অন্যায়ভাবে আটকে রাখা এবং ধর্ষণের অভিযোগের পরে বৃহস্পতিবার গভীর রাতে গ্রেফতার করা হয়েছিল শমীককে।অভিযোগকারিণী তাকে কন্টেন্ট তৈরি করতে সাহায্য করতে অ্যাপার্টমেন্টে দেখা করেছিলেন।পুলিশ জানায়, সোমবার রাত ৯টা থেকে পরের দিন বিকেল ৫টা পর্যন্ত ওই মহিলা অ্যাপার্টমেন্টে বন্দী ছিলেন, যখন শমীকের বাবা-মা পাশের ঘরে ছিলেন বলেই জানা গিয়েছে।।


More Stories
গণপিটুনিতে নিহত যুবক বেকসুর , অশান্তির পেছনে মৌলবাদী ও দেশবিরোধী শক্তি, বললেন মুখ্যমন্ত্রী
সরকারে বিশ্বাস রেখে বারুইপুরে সায়নী ফাঁসি চাইছেন
বারুইপুরের পথে নজিরবিহীন বিক্ষোভ ঋতব্রতদের ঘিরে, বেইমান-বালিশচাটা স্লোগান