সময় কলকাতা ডেস্ক, ১১ মার্চ : আলু সাধারণ মানুষের কাছে নিত্য প্রয়োজনীয় হলেও আলু চাষীরা বিশেষ যে সুখে থাকেন তা নয়। তাঁদের ভালো না থাকার কারণ একটাই, তাঁরা প্রায়শ আর্থিক সংকটে থাকেন। হাসি থাকে না তাঁদের মুখে কারণ তাঁরা আলু চাষ করে ন্যায্যমূল্য পান না। এই চিত্র প্রায় সর্বত্র। আলু সংরক্ষণ করার ব্যবস্থা না থাকায় কৃষকদের সংকট আরও বাড়ে। তবে কৃষকদের রক্ষাকবচ কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্ত ভাবে হলেও তাঁদের খুশি হয়ে দেখা দিতে চলেছে। উত্তরবঙ্গের ধুপগুড়িতে এরকম ছবি ফুটে উঠেছে।ধূপগুড়িতে সরকারি উদ্যোগে আলু সংরক্ষণ শুরু হতেই ন্যায্যমূল্যের আশায় খুশির হাওয়া কৃষি মহলে। এনিয়ে সানি রায়ের একটি প্রতিবেদন।
কৃষকদের স্বার্থ রক্ষায় বড় পদক্ষেপ নিল রাজ্য সরকার। ধূপগুড়ির হিমালয়ান কোল্ড স্টোরেজে সরকারি পরিকল্পনায় আনুষ্ঠানিকভাবে আলু কেনা ও সংরক্ষণের কাজ শুরু হলো। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে দীর্ঘদিনের অনিশ্চয়তা কাটিয়ে স্বস্তির হাসি ফুটেছে স্থানীয় চাষিদের মুখে।
জেলা শাসক দফতর সূত্রে জানানো হয়েছে, এই বিশেষ প্রকল্পের আওতায় একজন কৃষক সর্বোচ্চ ৭০ ব্যাগ আলু মজুত করতে পারবেন। সরকারিভাবে আলুর দর নির্ধারণ করা হয়েছে প্রতি কেজি ৯ টাকা ৫০ পয়সা। এছাড়া, কোল্ড স্টোরেজের মোট ধারণক্ষমতার ১৫ শতাংশ শুধুমাত্র সাধারণ কৃষকদের ব্যবহারের জন্য সংরক্ষিত রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
চাষিদের মতে, খোলা বাজারের তুলনায় সরকারি নির্ধারিত দাম কিছুটা বেশি হওয়ায় লোকসানের ঝুঁকি অনেকটাই কমবে। ধূপগুড়ির এই কোল্ড স্টোরেজে প্রথমবার এই স্কিম চালু হলেও, প্রশাসন আশ্বস্ত করেছে যে দ্রুত জেলার অন্যান্য হিমঘরেও এই পরিষেবা পৌঁছে দেওয়া হবে।
বিশেষজ্ঞ ও কৃষকদের ধারণা, এই সরকারি হস্তক্ষেপের ফলে বাজারে আলুর দাম স্থিতিশীল থাকবে এবং ভবিষ্যতে দাম বাড়লে কৃষকরা সরাসরি লাভের মুখ দেখবেন। ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত হওয়ার এই আশ্বাসে নতুন করে আশার আলো দেখছে উত্তরবঙ্গের কৃষি সমাজ।


More Stories
শুভমান গিল ২৭
আকে লোবা কি ইস্টবেঙ্গলের সর্বকালের সবচেয়ে দামি প্লেয়ার?
গ্র্যান্ড চেস ট্যুর ফাইনালে প্রজ্ঞানন্দ