Home » ভারতীয় সিমে পাকিস্তানি হানিট্র্যাপ! স্বাধীনতা দিবসে ৩ পাক-চর গ্রেফতার কোচবিহারে

ভারতীয় সিমে পাকিস্তানি হানিট্র্যাপ! স্বাধীনতা দিবসে ৩ পাক-চর গ্রেফতার কোচবিহারে

সময় কলকাতা ডেস্ক, ১৫ অগাস্ট : হাবড়া এবং তপসিয়ার পরে কোচবিহার। এসটিএফ এর জলে রাজ্য জুড়ে ছড়িয়ে থাকা একের পর এক পাক গুপ্তচর গ্রেফতার। এবার ভারতীয় সিম ব্যবহার করে হানি ট্র্যাপের মাধ্যমে সামরিক বাহিনীতে যুক্ত জওয়ান এবং আধিকারিকদের ফাঁদে ফেলে তথ্য আদায়ের জালের হদিস মিলেছে বলেই প্রাথমিক তদন্তে অনুমান। ভারতীয় সিমে পাকিস্তানি হানিট্র্যাপ এবং পাক গুপ্তচরদের সুবিস্তৃত জাল নিয়ে নিয়ে তদন্তে পুলিশ।

স্বাধীনতা দিবসে এসটিএফ-এর বড়সড় সাফল্য। পাক গুপ্তচর সন্দেহে ফের বাংলা থেকে গ্রেফতার তিনজন। কোচবিহারের সাহেবগঞ্জ থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়েছে। কয়েকদিন আগেই পাক চর সন্দেহে উত্তর ২৪ পরগনার হাবড়া থেকে গ্রেফতার করা হয়েছিল রানা রউফ ওরফে ওয়াহাব আলমকে । মহম্মদ ইজাজকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল কলকাতার তপসিয়া থেকে। তারা পাক গুপ্তচর সংস্থা আইএসআইয়েরই কাজ করতে বলে অভিযোগ। এবার স্বাধীনতা দিবসের দিনই এসটিএফ-এর জালে আরও তিন পাক গুপ্তচর।ধৃতদের নাম রশিদুল হক, নূর নাসিরুদ্দিন আলি ও শফিকুল ইসলাম। এর মধ্যে শফিকুল বিহারের কিষাণগঞ্জের বাসিন্দা বলে জানা গিয়েছে। ধৃতরা পাকিস্তানের আইএসআই-এর এজেন্ট হিসেবে কাজ করতেন বলে সন্দেহ এসটিএফ-এর। অভিযোগ, ভারতীয় সিমকার্ড বাংলাদেশ হয়ে পাকিস্তানে পাচার করা হত। এসটিএফ সূত্রে খবর, জাল নোট তৈরির কারবারের সঙ্গে যুক্ত ছিল ওই তিন গুপ্তচার। প্রত্যেকেই বাংলাদেশে চোরাচালানের সঙ্গে যুক্ত বলে অভিযোগ।পুলিশ সূত্রে খবর, ধৃতরা ভুয়ো নথি দিয়ে তোলা সিমকার্ড চোরা পথে বাংলাদেশে পাঠিয়ে দিত। বাংলাদেশ থেকে পাক আইএসআই এজেন্ট সিম সংগ্রহ করত। তারপর সিম চলে যেত পাকিস্তানের পঞ্জাব প্রদেশে। এই গুপ্তচরদের কাজই হল ভারতীয় নম্বর বা ভারতীয় সিম পাকিস্তানে সরবরাহ করা। মূলত, হানিট্রাপে ব্যবহার করার জন্যই নম্বর পাঠানো হত। পাক পাঞ্জাব প্রদেশে বসেই ভারতীয় সিম ব্যবহারের চেষ্টা করে হানিট্র্যাপ নেটওয়ার্ক তৈরি করে আইএসআই এজেন্টরা। তারপর সুন্দরী মহিলাদের ছবি ব্যবহার করে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভারতীয় সামরিক বাহিনীর সঙ্গে যুক্তদের বন্ধুত্বের জালে ফেলে ভারতের বিভিন্ন গোপন তথ্য হাতিয়ে নেওয়া। ভারতীয় সুরক্ষাকে আরও বিপদে ফেলা।এসটিএফ-এর ধারণা, বাংলা-সহ ভারতের বিভিন্ন প্রান্তে আরও গুপ্তচর ছড়িয়ে রয়েছে। সীমান্ত এলাকাতে ট্র্যাক করা হচ্ছে। আগে ভারতীয় মোবাইল নম্বরে হোয়াটসঅ্যাপ চালাতে আইএসআই নিজস্ব এজেন্টদের ব্যবহার করত। এবার সরাসরি সিম কার্ড পাচারে ব্যবহার করা হচ্ছে এজেন্টদের। চক্রের সঙ্গে আর কারা জড়িত, তদন্ত শুরু করেছে রাজ্য পুলিশের এসটিএফ।।

ভারতীয় সিমে পাকিস্তানি হানিট্র্যাপ #আইএসআই

About Post Author