সময় কলকাতা ডেস্ক, ৬ এপ্রিল : ডাম্পিং রাউন্ডে থাকা উচিত বারাসাতের ট্রাফিক পুলিশের – এরকম মন্তব্য করে রীতিমতো শোরগোল ফেলে দিলেন বারাসাত বিধানসভা আসনের তৃণমূল প্রার্থী সব্যসাচী দত্ত। বারাসাত জেলাশাসকের দফতরে সোমবার মনোনয়ন পত্র জমা করার পরে সাংবাদিক সম্মেলনে তৃণমূল প্রার্থী বলেন, বারাসাতের ট্রাফিক পুলিশের কাজ হচ্ছে মানুষকে অযথা হয়রানি করা এবং বারাসাতে ট্রাফিক পুলিশ আতঙ্ক। সব্যসাচী দত্ত সরাসরি অশিক্ষিত ও অকর্মণ্য বলে আখ্যা দিয়েছেন বারাসাতে ট্রাফিক পুলিশকে এবং তিনি জানিয়েছেন যে, বারাসাতের পুলিশ সুপারের কাছে বারাসাতের ট্রাফিক নিয়ে অভিযোগ জানাতে বাধ্য হয়েছেন। সব্যসাচী দত্ত নিজেই বলেন,তৃণমূল রাজ্যের শাসক দল হওয়া সত্ত্বেও তিনি নিজেই এত বড় প্রশ্ন দুঃখের সঙ্গে তুলতে বাধ্য হচ্ছেন। পাশাপাশি তিনি হুংকার ছাড়েন এবার বারাসাতের বিধায়ক হয়ে ক্ষমতায় এলে তিনি বারাসাতের ট্রাফিক পুলিশকে ‘ দেখে ‘ নেবেন।
সব্যসাচী দত্তের ট্রাফিক পুলিশ নিয়ে তোলা বক্তব্যে দলের মধ্যে রয়েছে অস্বস্তি, নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পুলিশদের মধ্যে রয়েছে অসন্তোষ। সব্যসাচী দত্ত নিজেই জানিয়েছেন যে, মনোনয়নপত্র জমা দিতে আসার সময় তিনি ট্রাফিক পুলিশের অসহযোগিতার শিকার হয়েছেন। স্বাভাবিকভাবে তার ক্ষুব্ধ হওয়ার মধ্যে অভিনব কিছু নেই। তথাপি তিনি শাসকদলের প্রতিনিধি তথা প্রার্থী হওয়ায় প্রশ্ন উঠছে তাহলে কেন তিনি এরকম বার্তা দিলেন! রাজনৈতিকভাবে বারাসাত কেন্দ্রের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাফিক পুলিশ নিয়ে সব্যসাচী দত্তের তোলা প্রশ্ন তাঁর নির্বাচনী স্ট্র্যাটেজি হলে অবাক হওয়ার কিছু নেই কারণ সব্যসাচী দত্ত স্থানীয় বাসিন্দা না হলেও বিগত ২০ দিন ধরে বারাসাতে বিভিন্ন প্রান্তে নিয়মিত যাতায়াত করার সুবাদে ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যমে জেনে গিয়েছেন বারাসাতের সবচেয়ে বড় ইস্যু কী! তিনি বুঝেছেন যে,বারাসাতের মানুষদের প্রধান আপত্তি ও অসুবিধার কারণ এখানের যানজট। এমতাবস্থায় ট্রাফিক পুলিশের ঘাড়ে যাবতীয় দায় চাপিয়ে সাধারণ যানজট সংক্রান্ত প্রশ্নে বারাসাতের মানুষের ও ভোটারদের আস্থা অর্জনের রাস্তায় হাঁটছেন সব্যসাচী দত্ত।।


More Stories
বারাসাতে স্ট্রং রুমের সামনে মধ্যরাতে উত্তেজনা
কোলে সন্তান নিয়ে বুথ আগলাচ্ছেন মহিলা পুলিশ
এক নজরে বঙ্গের দ্বিতীয় দফার ভোট