জয়ন্ত দাস, বীরভূম সময় কলকাতা: : ছাত্রছাত্রীদের আন্দোলনের জেরে সোমবার ফের বাংলাদেশ ভবনে আটকে পড়েছেন বিশ্বভারতীর রেজিস্টারসহ অন্যান্য আধিকারিকরা।তাই আটকে পড়া আধিকারিকদের উদ্ধার করে নিয়ে যেতে গভীর রাতে কবিগুরুর বিশ্বভারতী ক্যাম্পাসে আরও একবার এল পুলিশ। এদিন রাতে শান্তিনিকেতন থানার পুলিশকর্মীরা বাংলাদেশ ভবনে গিয়ে আটকে পড়া আধিকারিকের সঙ্গে কথা বলেন। কিন্ত ছাত্রছাত্রীরা গেটে ঢোকার মুখেই রাস্তা আটকে শুয়ে থাকায় তাদের টপকে বেরোতে পারেন নি আধিকারিকরা।রেজিস্টার আশিস আগরওয়াল বলেন, সোমবার মিটিং ছিল। সোমবার অধিকাংশ শিক্ষিকা আসতে না পারায় মিটিং বাতিল করতে হয়েছে।তারপর থেকেই আমরা ঘেরাও অবস্থায় রয়েছি।

প্রসঙ্গত, ছাত্রাবাস খোলাসহ তিন দফা দাবিতে ছাত্রছাত্রীদের আন্দোলন মঙ্গলবার ১৭ দিনে পড়েছে। মাঝে আদালতের নির্দেশে একবার শান্তিনিকেতন থানার পুলিশ ক্যাম্পাসে আটকে পড়া জনসংযোগ আধিকারিকসহ অন্যান্যদের উদ্ধার করে।ওই সময় উদ্ধারের জন্য পুলিশ দেরিতে যাওয়ায় আদালতের প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়েছিল। তাই এবার রাতেই তারা আটকে পড়া আধিকারিকদের উদ্ধারে হাজির হন।আটকে থাকা আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলার পর শান্তিনিকেতন থানার ওসি জানান, আমরা আটকে পড়া আধিকারিকদের বাইরে নিয়ে আসার জন্য গিয়েছিলাম। কিন্তু উনারা আমাদের সঙ্গে হেঁটে আসতে রাজি হননি।

ছাত্রছাত্রীদের আন্দোলনের চাপে পড়ে অবশেষে অফলাইনে পরীক্ষা না দিলে অকৃতকার্য করা হবে বলে যে নোটিশ জারি করেছিল তা প্রত্যাহার করে বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ।আধিকারিকরা তাদের আটকে রাখা হয়েছে বলে দাবি করলেও তা মানতে নারাজ ছাত্রছাত্রীরা। ছাত্রছাত্রীদের দাবি তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো আধিকারিককে আটকে রাখেনকবিগুরুর বিশ্বভারতীতে কর্তৃপক্ষ ও ছাত্রছাত্রীদের ইগোর লড়াই কবে থামবে। ফের কবে স্বাভাবিক ছন্দে ফিরবে বিশ্বভারতী সেই অপেক্ষায় বোলপুরের বাসিন্দারা।


More Stories
ঋতব্রত সন্দীপনের বহিষ্কারের চিঠিতে কী কী লেখা হয়েছে?
বঙ্গে পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রিসভার গঠন
অভিষেক নিগ্রহ পর্ব : আদতে হয়েছিল কী? বিভিন্ন রাজনৈতিক মহল, নেতা-নেত্রীরা কী বলছেন!