সময় কলকাতা ডেস্ক: প্রতিবেশীর সঙ্গে বিবাদের জেরে মাথায় আঘাত লাগে এক পরীক্ষার্থীর । হাসপাতালে গিয়ে সেই ক্ষত স্থানে পরল ১৮টি সেলাই। কিন্তু দমার পাত্র নয় কুমারগঞ্জ থানার গোপালগঞ্জের আর. এল স্কুলের পড়ুয়া শান্ত দাস। তার সেই ইচ্ছা শক্তির উপর ভর করে অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালের বিছানায় বসেই শেষ করলেন মাধ্যমিকের ভৌত বিজ্ঞান পরীক্ষা ।
মূল ঘটনার সূত্রপাত সোমবার। প্রতিবেশীদের বাড়িতে ছাগল বাধাকে কেন্দ্র করে পরস্পর বিবাদে জড়ান শান্তর পরিবার ও তার প্রতিবেশীরা। এমতাবস্থায় শান্তর মায়ের উপর ধারালো অস্ত্র নিয়ে চড়াও হন এক মহিলা । মাকে বাঁচাতে গিয়ে গুরুতর জখম হয় ওই মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী।
গুরুতর জখম অবস্থায় শান্তকে ভর্তি করানো হয় বালুরঘাট সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে। ১৮ টি সেলাই পড়ে শান্তর মাথায়। পাশাপাশি ডান হাতের বাজু এবং বুড়ো আঙ্গুলে গুরুতর আঘাত পায় ওই পড়ুয়া। হার মানতে নারাজ ওই পড়ুয়া মঙ্গলবার হাসপাতালেই দিল পরীক্ষা।পরীক্ষার্থীর এই অদম্য ইচ্ছাকে কুর্নিশ জানান হাসপাতালের চিকিৎসক।
শান্তর বাবা ফনি দাস বলেন, রবিবার বিকেলে তিনি যখন বাইরে ছিলেন তখন ছাগল বাধা নিয়ে শান্তর মা ও প্রতিবেশীদের মধ্যে বচসা শুরু হয়। মায়ের উপর ধারালো অস্ত্র নিয়ে প্রতিবেশীরা তেড়ে আসলে শান্ত তার মাকে বাঁচাতে যায়। কিন্তু প্রতিবেশী মহিলার ধারালো অস্ত্রের আঘাত লাগে শান্তর দেহে। খবর পেয়ে বাড়িতে ছুটে যান ফনিবাবু। এরপর শান্তকে নিয়ে যান বালুরঘাট সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল।
হাসপাতালের সুপার পার্থ সারথী মন্ডল বলেন, “জখম ওই পরীক্ষার্থী ভালোই আছে।হাসপাতালের তরফ থেকে পরীক্ষা দেওয়ার ব্যাবস্থা করে দেওয়া হয়েছে।”


More Stories
মোথাবাড়ি কাণ্ডের অশান্তির নেপথ্য “খলনায়ক” মোফাক্কেরুল ইসলাম গ্রেফতার কিসের ইঙ্গিত?
বকেয়া ডিএ-র সুখবর : কবে টাকা পাবেন সরকারি কর্মী ও পেনশনভোগীরা?
এবারের ভোট বাংলার আত্মাকে রক্ষা করার লড়াই, ব্রিগেডে বললেন প্রধানমন্ত্রী