সময় কলকাতা ডেস্কঃ রামপুরহাটে রাজনৈতিক ট্যুরিস্টের ভিড়।ল্যাংচা খেতে ওরা শক্তিগড়ে ভিড় করছে কটাক্ষ কুণাল ঘোষের।
রামপুরহাটের বগটুই ঘটনা নিয়ে বিজেপি যা করছে তা ঠিক নয় মত তৃণমূলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষের।উপপ্রধান খুন ও তারপরে গণহত্যার ঘটনাতে বৃহত্তর ষড়যন্ত্র দেখছেন তিনি।তাঁর দাবি, তৃণমূলের প্রধান মারা গেল আবার তৃণমূল সমর্থকের বাড়ি জ্বলল। আট জনের মৃত্যু হল।এটা রাজ্যকে অশান্ত করার বড়সড় চক্রান্ত । মুখ্যমন্ত্রীর সিট গঠন থেকে শুরু করে প্রশাসনিক ভাবে যা যা করার প্রয়োজন সবই করছেন।বরং বিজেপি শকুনের রাজনীতি করছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।সাংবাদিক সম্মেলনে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে তীব্র আক্রমণ করে তৃণমূলের মুখপাত্র বলেন, ‘বিজেপির লোডশেডিংয়ে জেতা নেতা মুখে একটা তৃপ্তি ও হাসি কাজ করছে রামপুরহাটের ঘটনার পরে।যেন ডেডবডি প্রয়োজন ছিল।’

রামপুরহাটের ঘটনায় সহমর্মিতা জানাতে গিয়ে কেন শক্তিগড়ে ল্যাংচার দোকানের সামনে দাঁড়িয়ে ল্যাংচা খাওয়া হচ্ছে তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন কুণাল ঘোষ।তিনি বলেন “আমরা বলছি মৃত্যু দুঃখজনক। আর তারা ল্যাংচা খাচ্ছেন।বাংলায় গণতন্ত্র আছে তাই বাধা দেওয়া হচ্ছে না।বিজেপি লাক্সারি বাসে করে যাচ্ছে। শক্তিগড়ে বসে ল্যাংচা খাচ্ছে।” এদিন কুণাল ঘোষ বলেন, “বিজেপি ও বামেরা বকটুই গ্রামে হয়ে পিকনিক করতে গিয়েছিল।বাম ও বিজেপি প্রতিনিধিরা রাজনৈতিক ট্যুরিস্ট রামপুরহাটে।ট্যুরিস্টদের মতই যাওয়ার আগে শক্তিগড়ে ল্যাংচা খেতে বসে গিয়েছে নেতারা ।”
তাঁর আক্রমনের নিশানায় এই দিন ছিল বামেরাও।তিনি বলেন, যে সিপিএম মরিচঝাঁপি, বিজন সেতু, সুচপুর, নানুর, নেতাই, ছোট আঙ্গারিয়া, কোচবিহার, করেছে৷ সেই তারাই আজ বিজেপিতে পরিনত হয়ে এই কথা বলতে এসেছে।তিনি অভিযোগ করে বলেন, বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলিতেও একাধিক খুন হয়েছে। তারাই আজ রামপুরহাট নিয়ে কথা বলছেন।

বিজেপিকে স্মরণ করিয়ে দিয়ে কুণাল ঘোষ বলেন, গুজরাত দাঙ্গার পরে প্রধানমন্ত্রী বাজপেয়ী, মোদীকে রাজধর্ম পালন করতে বলেছিলেন। ৩৫৬ ধারা লাগু করার কথা বলেননি। রাজ্যে বিরোধীদের নৈতিক অধিকার নেই ৩৫৬ ধারা লাগু করার দাবি তোলার।বকটুই এর ঘটনা নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে নির্দেশ নিয়ে আদালত নিশ্চয়ই মনে করেছে রাজ্য যা সিদ্ধান্ত নিয়েছে তাতে আস্থা রাখা যায়। আদালত যা নির্দেশ দিয়েছেন তা যথাযথ ভাবে সম্মান পাবে জানান কুণাল ঘোষ।
সদ্য বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দেওয়া নেতা জয় প্রকাশ মজুমদার কুণাল ঘোষের পাশে বসে আক্রমণ শানান রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে।একই সঙ্গে রাজ্যপালের ভুমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।তৃণমূল নেতা জয় প্রকাশ মজুমদার বলেন, “যেভাবে রাজ্যপাল কথা বলছেন। যেভাবে সংসদে বিজেপির নেতারা কথা বলছেন। এটা কোন ভাবে চক্রান্ত নয় তো?”


More Stories
পুলিশের জালে উদয়ন গুহ
হুইলচেয়ারের জীবন ও সাধন রায়
সাষ্টাঙ্গে নত হয়ে ক্ষমাস্বীকার, মুখ্যমন্ত্রীর নামে কুরুচিকর পোস্ট করার জন্য শাস্তিবিধান!