সময় কলকাতা ডেস্ক : রামপুরহাট কাণ্ডের তদন্তে সিবিআই। আজ, সিবিআই আসার আগে রামপুরহাটের বগটুই গ্রাম পরিদর্শনে এলেন বর্ধমান রেঞ্জের ডিআইজি ভরত মীনা এবং বীরভূম জেলা পুলিশ সুপার নগেন্দ্র নাথ ত্রিপাঠী সহ বিভিন্ন আধিকারিকরা। অন্যদিকে, সিবিআই এর টিম ঢোকার আগে সিবিআই এর ফরেন্সিক দল এসে পৌঁছালেন রামপুরহাটের বগটুই গ্রামে।
তবে বগটুই হত্যা কাণ্ডে সিবিআই এবার ১০ টি ধারায় এফআইআর দায়ের করল।পুলিশের অভিযোগ পত্রের ভিত্তিতেই এই এফআইআর দায়ের করেছে বলে জানা গেছে। খুনের চেষ্টা, খুন, আগুন লাগানো, হিংসা ছড়ানো সহ মোট ১০ টি ধারায় ২১ জনের বিরুদ্ধে এফআইআর করা হয়েছে বলে সূত্রের খবর।
আজ, সিবিআইয়ের ৩০ জনের জনের একটি দল রামপুরহাটে আসে। তারা কয়েকটি দলে ভাগে ভাগ হয়ে, একদল রামপুরহাট থানায় আসে। অন্য দলটি ঘটনা স্থল বগটুইয়ে যায়। রামপুরহাট থানায় গিয়ে মামলার কেস ডায়েরি ও মামলা সংক্রান্ত যাবতীয় নথি সংগ্রহ করে সিবিআই-এর একটি দল। এখনও পর্যন্ত তদন্তে যা যা তথ্য পুলিশ পেয়েছে তার সবটাই সিবিআই আধিকারিকদের হাতে তুলে দেয় সিটের অফিরাসাররা।
সিবিআই-এর অন্য দলটি আজ বগটুই গ্রামের বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলেন। ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শীদের সঙ্গেও কথা বলেন সিবিআই-এর ওই দলটি এমনটাই সূত্রের খবর।
রামপুরহাট কান্ডে যে ২২ অভিযুক্তকে এখনও পর্যন্ত গ্রেপ্তার করেছে তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য আদালতে আবেদন করে সিবিআই। এমনকী নিজেদের হেফাজতেও নিতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। ৩০ জনের সদস্য সিবিআই টিম তিন ভাগে বিভক্ত হয়ে হত্যার তদন্ত প্রক্রিয়া চালাচ্ছে।
উল্লেখ্য, গতকাল কলকাতা হাইকোর্ট বগটুই কাণ্ডে সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দেওয়ার পরই কাজ শুরু করে দেয় কেন্দ্রীয় সংস্থা। ইতিমধ্যেই ১০টি ধারায় এফআইআর দায়ের করা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, বগটুইয়ে তৃণমূলের উপপ্রধান ভাদু শেখ খুনের পরই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে গোটা গ্রাম। একের পর বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। জীবন্ত পুড়িয়ে মারা হয় আটজনকে। ঘটনার তদন্তের জন্য মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সিট গঠন করেন। গতকাল কলকাতা হাইকোর্ট সিটের থেকে ঘটনার তদন্তভার সিবিআইয়ের হাতে তুলে দেওয়ার নির্দেশ দেয়। তারপরই তদন্তে নেমে পড়ে সিবিআই। আগামী ৭ এপ্রিলের মধ্যে মামলার তদন্তের রিপোর্ট জমা দিতে হবে হাইকোর্টে।


More Stories
কেক কেটে ঈদ উদযাপন
আরেকটি পদত্যাগ, এবার শান্তনু সেন
অর্জুন সিংকে ‘চমকানো’ বনিকে কোমরে দড়ি বেঁধে ঘোরালো পুলিশ