সময় কলকাতা ডেস্কঃমুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নির্দেশের পরেই টনক নড়ল পুলিশের।রাজ্যজুড়ে রাতভর চলছে বেআইনি অস্ত্র ও বোমা উদ্ধারের বিশেষ অভিযান।আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধারের কাজে দিন রাত্রি নজরদারি চালাচ্ছে পুলিশ প্রশাসন। পুলিশ একটু সক্রিয় হতেই উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে উদ্ধার হচ্ছে একেরপর এক আগ্নেয়াস্ত্র।

শুক্রবার বসিরহাট মহকুমার বাসন্তী হাইওয়ে,ইছামতি ব্রিজ,এবং হাড়োয়া ব্রিজে রুটমার্চ করে নাকা চেকিং করে পুলিশ।আর তাতেই সাফল্য পায় পুলিশ। মিনাখা,হাড়োয়া,বসিরহাট,মাটিয়া এই চারটি থানা এলাকা থেকে তল্লাশি অভিযান চালিয়ে তিনটি রিভলবার ও গুলিসহ তিনজন দুষ্কৃতীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।পাশাপাশি মাটিয়া থানা এলাকা থেকে সাড়ে পাঁচ লিটার তরল মাদকসহ দুইজন দুষ্কৃতীকে গ্রেফতার করে পুলিশ।বসিরহাট মহাকুমার বিভিন্ন থানা এলাকায় একদিকে মাদক পাচার অন্যদিকে ছিনতাই,ডাকাতি,খুন সহ বিভিন্ন সমাজবিরোধী কাজ ও আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি করার একাধিক অভিযোগ ছিল ধৃতদের বিরুদ্ধে।এছাড়াও বসিরহাট থানার পুলিশ জেলার সীমান্ত থেকে সুন্দরবনের জল ও স্থলপথে নজরদারি শুরু করেছে।

অন্যদিকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বেআইনি অস্ত্র ও বোমা উদ্ধারের নির্দেশ দেওয়ার পরেই নজরদারি বাড়ায় জগদ্দল থানার পুলিশ।শুক্রবার গভীর রাতে তল্লাশির সময় জগদ্দলের গোলঘর জিলিপি মাঠের ধারে একটি বিশালাকার বট গাছের কোটর থেকে আটটি তাজা বোমা উদ্ধার করে পুলিশ।এছাড়া এদিন ভোরেও শ্যামনগর প্রভাতী সংঘ মাঠ থেকে আগ্নেয়াস্ত্র-সহ তিনজনকে পুলিশ পাকড়াও করেছে।পুলিশ জানিয়েছে,অস্ত্র ও বোমা উদ্ধারে তল্লাশি অভিযান জারি থাকবে।

পাশাপাশি শুক্রবার রাতে ভাটপাড়া থানার পুলিশ গোপন সূত্রে খবর পেয়ে হানা দেয় কাঁকিনাড়ার সাধুর মাঠে।সেখান থেকে সন্দেহজনক ভাবে পুলিশ স্থানীয় বাপ্টু সরকার ওরফে বুবাই ও অখিল মজুমদারকে গ্রেপ্তার করেছে।বাপ্টুর কাছ থেকে পুলিশ একটি আগ্নেয়াস্ত্র এবং অখিলের কাছ থেকে লোহার রড উদ্ধার করেছে।ডাকাতির উদ্দেশ্যেই তারা নিজেদের কাছে আগ্নেয়াস্ত্র রেখেছিল বলে দাবি পুলিশের ।


More Stories
ঋতব্রত সন্দীপনের বহিষ্কারের চিঠিতে কী কী লেখা হয়েছে?
বঙ্গে পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রিসভার গঠন
অভিষেক নিগ্রহ পর্ব : আদতে হয়েছিল কী? বিভিন্ন রাজনৈতিক মহল, নেতা-নেত্রীরা কী বলছেন!