Home » সিভিক ভলেন্টিয়ার অধরা , ধর্ষিতার পরিবারের রোষের মুখে তৃণমূল

সিভিক ভলেন্টিয়ার অধরা , ধর্ষিতার পরিবারের রোষের মুখে তৃণমূল

সময় কলকাতা ডেস্ক : কেন অধরা মালদায় ধর্ষণকারীর সহযোগী? মালদার চন্ডিপুরে ধর্ষিতার পরিবারের রোষের মুখে পড়ল তৃণমূল প্রতিনিধি দল।উল্লেখ্য,রামপুরহাট জতুগৃহ কান্ডের আগুন নেভার আগেই মালদায় দশম শ্রেণীর ছাত্রী শিকার হয় লালসার। হাত,পা,মুখ বেঁধে গানপয়েন্টে কিশোরীকে ধর্ষণ করার অভিযোগ উঠেছে ইংরেজবাজার থানার চন্ডিপুর গ্রামে।মূল অভিযুক্তর সহযোগী অধরা।অভিযোগ, পুলিশ বাঁচাতে চেষ্টা করছে মূল অভিযুক্তর সহযোগী এক সিভিক ভলান্টিয়ারকে। ঘটনার পাশবিকতা নিয়ে বিরোধীদের অভিযোগে বিদীর্ণ পুলিশ ও প্রশাসন।এবার সরাসরি নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে দেখা করে কোনও দোষীকে রেয়াত না করার আশ্বাস দেওয়া তৃণমূল প্রতিনিধি দলকেও নিজেদের ক্ষোভ জানাল নির্যাতিতার পরিবার।

শোভানগর গ্রাম পঞ্চায়েতের ঘটনায় অভিযোগ উঠেছে, ছাত্রীকে  ঘরে আগ্নেয়াস্ত্র দেখিয়ে ধর্ষণ করে প্রতিবেশী যুবক শেখ রাইহান গা ঢাকা দিলেও পরবর্তী পর্বে গ্রেপ্তার হয় । অভিযোগ,ধর্ষণকালীন সময়ে ঘরের বাইরে পাহারা দিয়ে ধর্ষনে মদত দেয় এক সিভিক ভলান্টিয়ার।স্বাভাবিকভাবে, চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে রাজ্য জুড়ে।রামপুরহাটের চেয়ে ভিন্ন প্রেক্ষাপট হলেও প্রায় একই সময়ে ঘটে যাওয়া মালদার ঘটনায় আইনশৃঙ্খলার প্রশ্নে সরব হয় বিরোধী দলগুলি। তাদের আক্রমণের লক্ষ্য ছিল রাজ্য পুলিশ ও রাজ্য সরকার। ছাত্রীর ওপর হওয়া নির্যাতনকে রাজনৈতিক ইস্যু গড়ে তুলতে সক্রিয় হয় বিরোধীরা।এবার পরিবারও ক্ষোভ উগরে দিল প্রশাসনের বিরুদ্ধে।

তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে মঙ্গলবার সকালে ইংরেজ বাজার থানা এলাকার শোভানগর গ্রাম পঞ্চায়েতের চন্ডিপুরে নির্যাতিতার বাড়ি যায় এক প্রতিনিধি দল।তাঁরা  পরিবারের সঙ্গে দেখা করে সমস্ত রকমের সাহায্যের আশ্বাস দেন। মালদা তৃণমূলের জেলা সভাপতি আব্দুর রহিম বক্সীর নেতৃত্বে এই প্রতিনিধি দল জানিয়েছে, নিষ্কৃতি পাবে না দোষীরা।

এতদসত্বেও পরিবারের ক্ষোভ প্রশমিত হয় নি।এদিন মালদা তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা সভাপতি আব্দুর রহিম বক্সীকে সামনে পেয়ে ক্ষোভ উগরে দেয় নির্যাতিতার পরিবার।তাঁদের অভিযোগ,তাঁদের মেয়ের উপর অত্যাচারের সময় যে বা যারা সহযোগিতা করেছে তাদের পুলিশ এখনও গ্রেপ্তার করেনি। নির্যাতনের মূল অভিযুক্ত শেখ রাইহান কে গ্রেফতার করেছে ইংরেজ বাজার থানার পুলিশ।পরিবারের বক্তব্য,প্রধান অভিযুক্ত শেখ রাইহান কে সাহায্য করেছে এক সিভিক ভলেন্টিয়ার।ইংরেজ বাজার থানার পুলিশ সেই অভিযুক্তকে বাঁচাবার চেস্টা করছে,তৃনমুল কংগ্রেসের প্রতিনিধি দলের কাছে এমনটাই অভিযোগ করে নির্যাতিতার পরিবার। অভিযোগ শুনে মালদা জেলা তৃনমূল কংগ্রেসের সভাপতি আব্দুর রহিম বক্সী জানান যে সমস্ত দুষ্কৃতীরা এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত তাদের কাউকে রেয়াত করা হবে না। এমনকি এই ঘটনায় সিভিক ভলেন্টিয়ার যুক্ত থাকলে তার বিরুদ্ধে যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানান তিনি ।  মালদা তৃনমুল কংগ্রেসের প্রতিনিধি দলে ছিলেন জেলা পরিষদের সভাধিপতি এটিএম রফিকুল হোসেন, তৃণমূলের শ্রমিক সংগঠনের জেলা সভাপতি শুভদীপ সান্যাল সহ জেলার শীর্ষ নেতৃত্ব।

About Post Author