সময় কলকাতা ডেস্ক: বকটুই কান্ডের পর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে রামপুরহাট এক ব্লক ১ এর সভাপতি আনারুল হোসেন গ্রেপ্তার হয়। ঘটনায় ইতিমধ্যে সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট।বর্তমানে আনারুল হোসেন সিবিআই এর হেফাজতে।তারই মাঝে রাজ্যের বিরোধী দল বিজেপি তদন্তকারী কমিটি তৈরী করেছে। সেই রিপোর্ট দিল্লিতে বিজেপির সভাপতি জে পি নাড্ডার হাতে তুলে দেয় তাঁরা।সেই রিপোর্টে বগটুই কান্ডের জন্য দায়ি করা হয় বীরভুমের জেলা সভাপতি অনুব্রত মন্ডলকে।এর আগে, গরুপাচার কান্ডে তদন্তের জন্য অনুব্রতকে বারবার ডেকে পাঠিয়েছে সিবিআই।
দার্জিলিং থেকে এই প্রসঙ্গে সোচ্চার হন মুখ্যমন্ত্রী। বৃহস্পতিবার প্রকাশ্যে আসে তৃণমূলের অন্দরমহলের এক গোপন চিঠি। সেই চিঠিতে দেখা যাচ্ছে বীরভূমের জেলা সভাপতি অনুব্রত মন্ডল গত পঞ্চায়েত ভোটের আগেই আনারুল হোসেনকে ব্লক সভাপতির পদ থেকে সরাতে চাইছেন।এই চিঠি প্রকাশ্যে আসতেই ফের চাঞ্চল্য রাজ্য রাজনীতিতে। অনুব্রত মন্ডলকে সেই চিঠি দেখালে তিনি চিঠির সত্যতা স্বীকার করে নিয়ে প্রশ্ন তোলেন দলের গোপন চিঠি সাংবাদিকদের কে দিল?
এই চিঠিকে হাতিয়ার করে আনারুল হোসেনের কাজ কর্মের সব দায় তিনি চাপিয়ে দেন রামপুরহাটের বিধায়ক তথা বিধানসভার ডেপুটি স্পিকার আশীষ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘাড়ে। এদিন অনুব্রত মন্ডল স্বীকারও করেন বগটুই এর মত ঘটনা ঘটতে পারে আঁচ করেই তিনি আনারুল হোসেনকে সরাতে চেয়েছিলেন।
বিরোধীদের অভিযোগ, সুকৌশলে দলের গোপন চিঠি প্রকাশ্যে এনে অনুব্রতকে বগটুই কান্ডের দায় থেকে মুক্ত করা যাবে না।অন্যদিকে রামপুরহাটের বিধায়ক তথা বিধানসভার ডেপুটি স্পিকার আশিষ বন্দ্যোপাধ্যায় ইতিমধ্যে জানিয়ে দিয়েছে আনারুল হোসেনকে পদে রেখে দেওয়া সাংগঠিনক সিদ্ধান্ত।


More Stories
মোথাবাড়ি কাণ্ডের অশান্তির নেপথ্য “খলনায়ক” মোফাক্কেরুল ইসলাম গ্রেফতার কিসের ইঙ্গিত?
আরেক অভিনেতা প্রণবের অকালপ্রয়াণ
কেন ফুল বদলালেন লিয়েন্ডার পেজ?