Home » আনারুলকে ঝেড়ে ফেলতে তৎপর তৃণমূল জেলা নেতৃত্ব

আনারুলকে ঝেড়ে ফেলতে তৎপর তৃণমূল জেলা নেতৃত্ব

সময় কলকাতা ডেস্ক: বগটুইতে নারকীয় গণহত্যার ঘটনায় তৃণমূল কংগ্রেসের রামপুরহাট ১ ব্লক সভাপতি আনারুল হোসেনকে মূল অভিযুক্ত হিসাবে গ্রেপ্তার করেছে সিট।মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশের পর আনারুলকে গ্রেপ্তার করে সিট। আদালতের নির্দেশে আনারুলকে সিবিআইয়ের হাতে তুলে দিয়েছে সিট।আর তারপর থেকেই দলের এই নেতার দায়িত্ব ঝেড়ে ফেলতে উঠপড়ে লেগেছে তৃণমূলের বীরভূম জেলা নেতৃত্ব।

৩১ মার্চ সাদা কাগজে মুছ লেখা দিয়েছিলেন রাজ্যের বিধানসভার ডেপুটি স্পিকার তথা রামপুরহাট বিধায়ক আশীষ বন্দ্যোপাধ্যায়ই এমনি একটি চিঠি প্রকাশ্য আসে ,প্রথমের দিকে সত্যতার নিয়ে প্রশ্ন উঠলেও ,সব জল্পনা কাটে বীরভূম তৃণমূল জেলা সভাপতি অনুব্রর্ত মন্ডল  প্রেস বিজ্ঞপ্তি দিয়ে বলেন ,  ‘ ওই চিঠি আশীষ বন্দ্যোপাধ্যায়ই দিয়ে ছিলেন।

জেলা সভাপতিকে লেখা বিধানসভার ডেপুটি স্পিকার তথা রামপুরহাট বিধায়কের দেওয়া ওই চিঠি প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই বগটুই কাণ্ড নিয়ে জেলা তথা রাজ্য রাজনীতি তোলপাড়। তারই মাঝে নতুন এক চিঠি প্রকাশ্য এসেছে।

চিঠিতে দেখা যাচ্ছে দলীয় প্যাডে পুরসভার নির্বাচনে তৃণমূলের কমিটির প্রথম সারিতে নাম রয়েছে আনারুল হোসেনের। আর ওই চিঠিতে দলীয় পদের শীল সহ স্বাক্ষর রয়েছে অনুব্রর্ত মণ্ডলের।যা নিয়ে শাসক দলের অন্দরে জোর তরজা শুরু হয়েছে। বিরোধীদের দাবি, সিবিআই তদন্তের তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়ার জন্য। তৃণমূল জেলা নেতৃত্ব একের অপরকে দোষারোপ করতে জনসমক্ষে দলের সাংগঠনিক তথ্য তুলে ধরছে।

আনারুল হোসেন তাঁর ছত্রছায়ায় ছিলেন না। দলকে হেও করেও তা প্রমাণ করতে শাসক দলের দুই নেতা কৌশলে সেই তথ্য তুলে ধরে কি সিবিআই থেকে বাঁচতে চাইছেন,  নাকি তৃণমূল সুপ্রিমোর কাছে নিজের স্বচ্ছ ভাবমূর্তি তুলে ধরতে এই কাজ করছেন। তা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন আমজনতা থেকে শুরু করে শাসক দলের নিচুতলার নেতাকর্মীরা।

 

About Post Author