Home » কিসের স্বার্থে পুকুর ভরাটকে কেন্দ্র করে ফের প্রকাশ্যে গোষ্ঠী কোন্দল ?

কিসের স্বার্থে পুকুর ভরাটকে কেন্দ্র করে ফের প্রকাশ্যে গোষ্ঠী কোন্দল ?

সময় কলকাতা ডেস্কঃ বেআইনিভাবে পুকুর ভরাটকে কেন্দ্র করে ফের প্রকাশ্যে গোষ্ঠী কোন্দল। তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্যর অভিযোগ, তৃণমূল পরিচালিত পঞ্চায়েত প্রধান ও পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতির মদতে একের পর এক পুকুর ভরাট হচ্ছে। অন্যদিকে অভিযোগ অস্বীকার করে প্রধানের দাবি, তোলা চেয়ে না পাওয়ার কারনেই এই অভিযোগ। বারাসত ব্লক ১-এর ছোট জাগুলিয়া পঞ্চায়েত এলাকার ঘটনা।পঞ্চায়েত সদস্য আব্দুল খালেক পেয়াদার অভিযোগ, ছোট জাগুলিয়া গ্রাম পঞ্চায়েত ও বারাসাত ১ নম্বর পঞ্চায়েত সমিতি এলাকায় একের পর এক পুকুর ভরাট হয়ে যাচ্ছে। লক্ষ লক্ষ টাকার বিনিময়ে পঞ্চায়েত প্রধান ও পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতির মদতে। এ ধরনের কিছু মানুষের জন্য দলের বদনাম হচ্ছে এমনটাও দাবি করেন পঞ্চায়েত সদস্য। মুখ্যমন্ত্রীর স্বপ্নের প্রকল্প ‘জল ধরো জল ভরো’ প্রকল্পকে বুজিয়ে দিয়ে পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট করছে। মুখ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপের দাবি করেন তিনি।এ বিষয়ে ছোট জগুলিয়া গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান নুরুল হক অভিযোগ অস্বীকার করে জানান, আমার কাছে অভিযোগ আসা মাত্রই আমি বিএলআরও, বিডিওকে বিষয়টি জানিয়েছি। কিন্তু যে অভিযোগ করছে সে এলাকায় তোলাবাজি করে, পয়সা না পাওয়ার কারণেই প্রধানের উপর সমস্ত দায় চাপাচ্ছেন পঞ্চায়েত সদস্য। অঞ্চল সভাপতির পদ না পাওয়ায় কিছু মানুষ এর বিরোধিতা করছে এমনটাও দাবি করেন পঞ্চায়েত প্রধান।

এই নিয়ে বারাসাত ১ নম্বর ব্লক পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি আরসাদ উদ্ জামান জানান, আমাদের কাছে অভিযোগ আসা মাত্রই আমরা সমস্ত জায়গায় মাটি তুলে নিয়েছি। কে কি বদনাম করছে তাতে আমার কিছু বলার নেই।পুকুর ভরাটকে কেন্দ্র করে একে অপরের বিরুদ্ধে অভিযোগের বিষয়ে সবর হয় বারাসাত সাংগঠনিক জেলা বিজেপি সভাপতি তাপস মিত্র। তিনি জানান, শাসকদল এখন দাঁড়িয়ে আছে তোলাবাজির ওপর। এই ঘটনাতেও রামপুরহাটের ঘটনা আঁচ দেখতে পাচ্ছেন। এই ঘটনা নিয়ে আগামী দিন আন্দোলনে হাঁটবেন বলে জানিয়েছেন বারাসাত সাংগঠনিক জেলার বিজেপি সভাপতি।একের পর এক পুকুর ভরাটের অভিযোগ জমা পড়ছে বিএলআরও দপ্তরে। সেই অভিযোগের ভিক্তিতে মাটি তুলে পুনরায় সস্থানে ফিরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সেই নির্দেশ অনুযায়ী মাটিও তোলা হচ্ছে বলে জানা যায়।

প্রসঙ্গত, ছোট জগুলিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের ১১৯/২৭ নম্বর পাটের পঞ্চায়েত সদস্য আব্দুল খালেক পেয়াদা এলাকায় একটি পুকুর ভরাটের অভিযোগ তোলে। তিনি নিজেই বিএলআরও দপ্তরে অভিযোগ দায়ের করেন। সেই মোতাবেক এলাকায় গিয়ে পরিদর্শন করেন বিএলআরও দফতরের আধিকারিকেরা।

About Post Author