Home » ইন্দাসের ঘটনায় ককরোচের প্রশাসনকে ডেডলাইন

ইন্দাসের ঘটনায় ককরোচের প্রশাসনকে ডেডলাইন

Oplus_131072

সময় কলকাতা ডেস্ক, ১৭ অগাস্ট : এবার বঙ্গে আন্দোলনের পথে সিজেপি বা ককরোচ জনতা পার্টি। ইন্দাসে নৃশংস খুনের ঘটনায়  ককরোচের প্রশাসনকে ডেডলাইন। ককরোচ জনতা পার্টি দশ দিনের সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে বাঁকুড়া পুলিশ ও প্রশাসনকে। দাবি, বিজেপির অভিযুক্তদের গ্রেফতার সহ তাদের দাবি মেনে নিতে হবে। প্রসঙ্গত,  দিল্লির ককরোচ জনতা পার্টির সাম্প্রতিক  রাজনৈতিক আন্দোলনে ছেলের যোগদানের জেরেই বাঁকুড়ার ইন্দাসে শেখ মহম্মদ মাফিক-কে (৫১) খুনের অভিযোগ উঠেছে।  আন্দোলনকারী ছাত্র আব্দুল হাফিজের বাবাকে পিটিয়ে খুনের গুরুতর অভিযোগ বিজেপির বিরুদ্ধে ।

এদিন ককরোচ জনতা পার্টির নেতৃত্ব আন্দোলনকারী আব্দুল হাফিজের বাড়িতে যায়। ককরোচ নেতৃত্বের তরফে  জানানো হয়েছে তাদের দাবি পূরণ করা না হলে তারা বাঁকুড়া জেলা প্রশাসনের দফতর ঘেরাও করবে। পাশাপাশি বলা হয়েছে “বিজেপির গুন্ডাদের ” ভয় না পেয়ে রাজ্যজুড়ে শিক্ষা ব্যবস্থার আমূল সংস্কার ও পরিবর্তনে উদ্যোগী হবে ককরোচ জনতা পার্টি। আব্দুল হাফিজ রাজ্যজুড়ে  এই সংস্কার আন্দোলনের  নেতৃত্বের অন্যতম দায়িত্বে থাকবে বলেও ঘোষণা করেছে ককরোচ পার্টি। এদিন ইন্দাসে কখন পার্টির সঙ্গে দেখা গিয়েছে বাম নেতাদের। ছিলেন সিপিআইএম নেতা শতরূপ ঘোষ। বৃহস্পতিবার আব্দুল স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দিয়েছে, রাজ্য সরকারের ক্ষতিপূরণ ও সাহায্য সে নিতে নারাজ। তাকে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার বদলে তার বাবার নামে একটি সেরা ও আন্তর্জাতিক মানের স্কুল নির্মাণ করুক রাজ্য সরকার এমনটাই প্রস্তাব তার।

অভিযোগ, গত ১৩ আগস্ট ২০২৬ তারিখে আব্দুল হাফিজের বাড়িতে চড়াও হয়ে হামলা চালানো হয় এবং আক্রমণের জেরে  তার আহত বাবার  চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৫ আগস্ট রাতে বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তাঁর মৃত্যু হয়। বাঁকুড়ার ইন্দাস থানার করিশুণ্ডা গ্রামের ঘটনাটি বঙ্গের রাজনীতিতে শোরগোল ফেলে দেয়। আদতে কী হয়েছিল?

আব্দুল হাফিজ দিল্লির ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (CJP)-র ডাকে আন্দোলনে যোগ দিয়েছিলেন এবং স্থানীয় একটি প্রাথমিক স্কুলের অব্যবস্থা নিয়ে প্রতিবাদে সরব হয়েছিলেন। অভিযোগ, গত ১৩ আগস্ট রাতে বাড়িতে ঢুকে হাফিজকে মারধর করা হয় এবং তাঁকে বাঁচাতে গেলে বাবা শেখ মহম্মদ মাফিককেও বেধড়ক মারধর করা হয়।

অভিযোগ, মারধর ও হুমকির জেরে আব্দুলের বাবার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে। পুলিশ ও পরিবারের সহায়তায় হাসপাতালে নেওয়ার পর ১৫ আগস্ট রাতে বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তাঁর মৃত্যু হয়। এই ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ ও শাস্তির দাবি জানিয়েছে পরিবার। পাশাপাশি ককরোচ পার্টি বিষয়টি নিয়ে প্রথম থেকেই সরব হয়েছিল। এবার আন্দোলনকারীর বাড়িতে গিয়ে ককরোচ নেতৃত্ব জানিয়েছে, আব্দুলের সঙ্গে হওয়া ঘটনায় তাদের চার দফার দাবি মেনে না নেওয়া হলে সারা বাংলার ককরোচ পার্টির ছাত্ররা একজোট হয়ে আন্দোলনে নামবে। পাশাপাশি ককরোচ এও জানিয়েছে ” বিজেপির গুন্ডাদের ”  হামলার ভয়ে তারা পিছিয়ে থাকবে না কারণ তাদের আন্দোলন শিক্ষার সংস্কারের লক্ষ্যে।।

About Post Author