সময় কলকাতা ডেস্কঃ প্রতিবছরের মতো এবছরও ১৫ই এপ্রিল থেকে ১৪ই জুন ৬১ দিনের জন্য শুরু হয়েছে সমুদ্রে মাছ ধরার ওপরে নিষেধাজ্ঞা। কারন এই সময় মাছেদের প্রজনন ঋতু চলে।তাই কারনে ব্যান পিরিয়ড জারি করলো রাজ্য সরকার। ফলে বকখালি, নামখানা, কাকাদ্বীপ, সাগরদীঘি, রায়দিঘী সহ একাধিক জায়গায় মৎসজীবীরা তাদের ট্রলার ও নৌকা গুলি নিয়ে ফিরে এসেছেন বিভিন্ন জেটিঘাটে। মাছ ধরার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি হওয়ায় সমস্যায় পড়েছেন মৎস্যজীবীরা। তবুও ভবিষ্যতে ভাল ও বড় মাছের প্রয়োজনে ও মৎস্য জীবীদের মুনাফার স্বার্থে এই সিদ্ধান্তকে মেনে নিয়েছেন তারা।
কিন্তু এই দুমাস বাড়িতে বসে থেকে জীবিকা বন্ধ রাখলে সংসার চলবে কি করে? এই আশঙ্কা দানা বাধছে একাংশ মৎস্যজীবীদের মনে। আর তাই সরকারের কাছে এই দু’মাস তারা আর্থিক সাহায্যের মত একটি প্যাকেজের দাবী করছেন মৎস্যজীবীরা।

তাদের বক্তব্য বিগত বছর গুলোর মতো এবছরও ৬১ দিনের ব্যান পিরিয়ড জারি করেছে সরকার। একেই ২০১৮ সাল থেকে ব্যবসার অবস্থা খুবই খারাপ।তার ওপর গত দু’বছর ধরে করোনা আর লকডাউনের জেরে মৎস্যজীবীদের খুবই করুন অবস্থা।অনেকে পেশা পরিবর্তন করেছেন। এমনকি জীবিকার স্বার্থে মৎস্যজীবীরা ভিনরাজ্যে পাড়ি দিয়েছেন। ২০১৮ -র পর থেকে খুবই নিদারুন অবস্থা। অনাহারে দিন কাটছে মৎস্যজীবীদের। তাই সরকার যাতে এই দুমাস তাদের জন্য অন্য বিকল্প অবস্থার কথা চিন্তা করেন।
তবে তারা এও বলেন যে “আমরা চাইবো কেউ যাতে এই দুমাস সমুদ্রে না যান, ঝড় জল থেকে নিরাপদে থাকেন,ভালো থাকেন।তাদের দাবি মাছ বাড়লে মুনাফা আমাদেরই, তাই এই মাছ ধরার ওপরে নিষেধাজ্ঞাকে আমরা সম্পূর্ণ সমর্থন করি।


More Stories
শিলিগুড়ির বিশ্ববাংলা লোগো ভাঙা পড়ল
শুভেন্দুর প্রশাসনিক বৈঠকে কাকলি ঘোষ দস্তিদার, সঙ্গে বিদেশ -বীনা, কী বললেন সাংসদ ?
পুলিশের জালে পলাতক ও অপসারিত বিডিও প্রশান্ত বর্মন