সময় কলকাতা ডেস্কঃ তিন থেকে ৪ দিন ধরে টানা বৃষ্টিপাত। এই বৃষ্টিতে জলভাসি উত্তর-পূর্ব ভারতের বিভিন্ন রাজ্য। অসম,মণিপুরের পাশাপাশি জলে ভাসছে মেঘালয়ের বিভিন্ন এলাকাও। ট্যুইটের মাধ্যমে এই বন্যা পরিস্থিতি নিয়েই মেঘালয় সরকারকে কার্যত এক হাত নেয় সে রাজ্যের বিরোধী দল তৃণমূল কংগ্রেস।

বৃহস্পতিবার থেকে এক নাগাড়ে বৃষ্টিপাত। শুক্রবারও জারি ছিল বৃষ্টিপাত। প্রবল বৃষ্টিতে ভেঙে পড়েছে একের পর এক বাড়ি। জলে ভেসেছে রাস্তাঘাট। কোথাও বা হাঁটু জল, কোথাও বা জল জমেছে কোমর পর্যন্ত। বেহাল অবস্থা জল নিকাশি ব্যবস্থার। ভারী বৃষ্টির জেরে মেঘালয়ের শিলংয়ের একাধিক জায়গা কার্যত বানভাসি। স্তব্ধ হয়ে পড়েছে যান চলাচল। ক্ষতিগ্রস্ত একাধিক এলাকা। পাহাড়ি এলাকায় ধস নামতে শুরু করেছে। বিভিন্ন দিক থেকেই সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন সাধারণ মানুষ। মেঘালয়বাসীর এই জলযন্ত্রণার দৃশ্যকেই হাতিয়ার করেই আসরে নেমেছে সেরাজ্যের প্রধান বিরোধী দল তৃণমূল কংগ্রেস। শুক্রবার ট্যুইটের মাধ্যমে রাজ্যের শাসকদলকে আক্রমণ শানিয়েছে তৃণমূল। এমনকী, মেঘালয়ের মুখ্যমন্ত্রী কনরাড সাঙ্গমাকে উল্লেখ করে বন্যায় ভয়াবহ পরিস্থিতির কথা যেন একপ্রকার চোখে আঙুল দিয়ে দেখানো হয়েছে। তৃণমূলের অভিযোগের তির শাসকদলের দিকেই। বন্যা পরিস্থিতির জন্য দায়ী করেছেন মুখ্যমন্ত্রী কনরাড সাঙ্গমার সরকারকেই।

উল্লেখ্য, একুশের বিধানসভা নির্বাচনে বাংলায় বিপুল জয়লাভের পর রাজ্যের বাইরে দেশের একাধিক রাজ্য সংগঠন বিস্তারে জোর দিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। এবারের লক্ষ্য চব্বিশের লোকসভা নির্বাচন। তাই যত দ্রুত সম্ভব বিভিন্ন রাজ্যে সংগঠন বিস্তারে মরিয়া তৃণমূল কংগ্রেস। বিশেষ করে উত্তর-পূর্বের রাজ্যগুলিকেই প্রাথমিকভাবে টার্গেট ঘাসফুল শিবিরের। মেঘালয়ে মাত্র কয়েক মাসের কসরতেই প্রধান বিরোধী দল হিসেবে জায়গা করে নিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। সে রাজ্যে আপাতত তেইশের বিধানসভা নির্বাচনই লক্ষ্য ঘাসফুল শিবিরের। তাই শাসকদলের ব্যর্থতাগুলিকে কার্যত চোখে আঙুল দিয়ে তুলে ধরতে মরিয়া তৃণমূল কংগ্রেস।


More Stories
নীতিশ জমানা শেষ, বিহারের সম্রাট নতুন মুখ্যমন্ত্রী ও তাঁর বুলডোজার মডেল
আশা ভোঁসলের হার্ট অ্যাটাক
মোদি ও বিজেপিকে খোঁচা : আগাম জামিন পেলেন নিয়ে নেহা সিং রাঠোর