সময় কলকাতা ডেস্ক: ১৯২১ সালের ২৮ জুন ভারত পেয়েছিল এক দেশপ্রেমী সন্তানকে। তেলেগু ভাষী নিয়োগী ব্রাহ্মণ পরিবারে ওয়ারাঙ্গলের নরসম্পেত গ্রামে লাকনেপল্লীতে পামুলাপার্থী ভেঙ্কট নরসিমা রাও (পি.ভি.নরসিমা রাও) জন্মগ্রহণ করেন।

১৯৯১ সালের ২১ মে ভারতের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধীর মৃত্যুর পর কংগ্রেসের পক্ষ থেকে সোনিয়া গান্ধীকে প্রধানমন্ত্রী নিযুক্ত করার কথা বলা হয়। কিন্তু তিনি রাজি হননি। এরপর ডঃ শঙ্করদয়াল শর্মাকে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার কথা বলা হয়। তিনিও রাজি হননি। শেষে পি ভি নরসীমা রাওকে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার জন্য অনুরোধ করা হয়। সেই সময় তিনি রাজনীতি থেকে অবসরের কথা ভাবছিলেন। যদিও পার্টির চাপে তাঁকে প্রধানমন্ত্রী হতে হয়।
এবার জেনে নেওয়া যাক, এরকম হঠাৎ করে প্রধানমন্ত্রী হওয়া নরসীমা রাও সম্পর্কে কতগুলি আকর্ষণীয় তথ্য,
স্বাধীনতার আগে নরসীমা রাও নিজেকে গেরিলা যুদ্ধনীতিতে প্রশিক্ষিত করেছিলেন। হায়দরাবাদের নিজামের বিরুদ্ধে বিদ্রোহে সামিল হয়েছিলেন। সেই সময় নিজাম গেরিলা প্রশিক্ষিত যোদ্ধাদের মেরে ফেলার নির্দেশ জারি করেছিলেন।

১৯৮২ সালে প্রেসিডেন্ট পদের জন্যও তিনি লড়েছিলেন। কিন্তু সেই পদ তিনি পাননি।
সতেরোটি ভাষায় দক্ষ ছিলেন ভারতের এই প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী। তার মধ্যে বারোটি দেশী এবং ছয়টি বিদেশি। এর মধ্যে ইংরাজি বাদ দিয়ে ছিলেন পার্সিয়ান ভাষায় পারদর্শী।
১৯৯৬ সালে ভারতকে পরমাণু রাষ্ট্র হিসেবে ঘোষণা করতে তিনি মরিয়া হয়ে উঠেছিলেন। কিন্তু আমেরিকার চাপে তিনি তা করতে পারেননি।


More Stories
বাংলা নববর্ষের ইতিহাস
নীতিশ জমানা শেষ, বিহারের সম্রাট নতুন মুখ্যমন্ত্রী ও তাঁর বুলডোজার মডেল
আশা ভোঁসলের হার্ট অ্যাটাক