সময় কলকাতা ডেস্কঃ স্কুলে এলেই পাওনাদার হাজির, তিন বছর ধরে স্কুলে অনুপস্থিত শিক্ষক। স্কুলে আসার জন্য বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ থেকে স্কুল পরিদর্শক সহ উদ্ধর্তন কতৃপক্ষ বারবার বলার পরেও ঐ স্কুল শিক্ষক কিছুতেই স্কুলে যেতে নারাজ। এমনকি প্রধান শিক্ষক খোদ বাড়িতে গিয়ে দেখা করে স্কুলে আসার জন্য অনুরোধ জানালেও তাকে স্কুলমুখী করা যায়নি। অবশেষে বাধ্য হয়ে বেতন বন্ধ করে দিল স্কুল কর্তৃপক্ষ। এমনই বিস্ময়কর ঘটনা ঘটেছে ধুপগুড়ির নিরঞ্জনপাঠ এলাকার গারখুট্টা ২ নং বিএফপি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে।
একজন শিক্ষক মানুষ গড়ার কারিগর। কিন্তু ক্ষোদ শিক্ষকই যদি অন্যায় করে তাহলে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম কোথায় শিখবে? আর কি বা শিখবে? এরকমই একজন শিক্ষক হলেন মহ: জুলফিকার। জানা গেছে, ধূপগুড়ির নিরঞ্জনপাঠ এলাকার গারখুট্টা ২ নং বিএফপি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চারজন শিক্ষক। এদের মধ্যে একজন অসুস্থতার দোহাই দিয়ে পেপার ট্রান্সফার করিয়ে জলপাইগুড়িতে বাড়ির পাশের একটি স্কুলে দিব্যি ক্লাস করিয়ে যাচ্ছেন। অপর জন তো স্কুলেই আসেন না। স্কুলের প্রধান শিক্ষককে অফিসের কাজ করতে হয়। ফলে, প্রায় বেশিরভাগ সময় একজন স্কুল শিক্ষককেই একটি ঘরেই ৭৩ জনকে নিয়ে ক্লাস করাতে হয় বলে অভিযোগ। প্রশ্ন উঠেছে, ৭৩ জন পড়ুয়ার ভবিষ্যত নিয়ে।

স্থানীয়রা এই ধূপগুড়ি ব্লকের মাগুরমারী গ্রাম পঞ্চায়েতের গারখুট্টা প্রাথমিক স্কুল শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যতিক্রমী অভিযোগ করছেন। অভিযোগ, তিনি স্কুলে এসে আশেপাশের মানুষজনকে লোন দেওয়ার নাম করে অনেক টাকা আত্মসাৎ করেছেন। এই অবস্থায় আদেও অভিযুক্ত শিক্ষক স্কুলে আসে নাকি এই ৭৫ জন পড়ুয়ার ভবিষ্যৎ ঝুলে থাকে সেটাই এখন সবথেকে বড় প্রশ্ন।


More Stories
দুশ্চিন্তার দিন শেষ! আয়ুষ্মান কার্ড এখন হাতের মুঠোয়
আমডাঙায় ফুড প্লাজা ভাঙচুর, অভিযোগের তির বিজেপির দিকে
চুরমার বারাসাতের তৃণমূল নেতা অরুণ ভৌমিকের বাড়ি ও পার্টি অফিস, মেরে ফেলা হতে পারে আশঙ্কা স্ত্রীর