সময় কলকাতা ডেস্ক :
উৎসব অর্থেই জীবনের মলিনতা ভুলে আনন্দ উদযাপন। হৃদয়পুর – বারাসাতে রথ আর উল্টোরথের মাঝে তথাকথিত ব্রাত্য মানুষদের জীবন মুখরিত হয়ে উঠল আনন্দে । আষাঢ় মাসের শুক্লা দ্বিতীয়া তিথিতে রথযাত্রার ঠিক সাতদিন পরে জগন্নাথ-সুভদ্রা-বলরাম রথে চড়ে গুণ্ডিচার বাড়ি যান যা কিনা জগন্নাথের ‘মাসির বাড়ি’নামে পরিচিত এবং সাত দিন পরে সেখান থেকে আবার নিজের মন্দিরে ঘরে ফেরেন। মাসির বাড়ি থেকে ফিরে আসা উল্টোরথ নামে প্রচলিত।মহাধুমধাম করে পালিত হয় উল্টোরথ যাত্রা ।শনিবার একই উদ্দীপনায় উত্তর চব্বিশ পরগনায় বারাসাত ও হৃদয়পুরে হৃদয় ছুঁয়ে গেল উল্টোরথের উৎসব উদযাপন।

উল্টোরথের দিন বারাসাতে উৎসবের সাথে পথশিশু, ভবঘুরেদের সহ তথাকথিত ব্রাত্য মানুষ মিশে গেলেন ধর্মীয় উৎসবের সঙ্গে।উল্লেখ্য,রথের দিন এক বিশেষ শোভাযাত্রায় জগন্নাথ,বলরাম ও সুভদ্রাকে রথে বসিয়ে হৃদয়পুর স্টেশন সংলগ্ন এলাকায় থাকা শতাধিক পথ শিশু,ভবঘুরে ও প্রবীণদের নিয়ে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা হৃদয়পুর নবসোপান থেকে শুরু হয়ে বারাসত নবপল্লীর কাঁঠালতলায় শেষ হয়েছিল । শনিবার উল্টোরথের দিন সন্ধ্যায় কাঁঠালতলা থেকে ফের শতাধিক পথশিশু,ভবঘুরে , মহিলা ও প্রবীণদের নিয়ে রথ পৌঁছয় হৃদয়পুরে। এদিন নবপল্লী কাঁঠালতলায় রথযাত্রার উদ্যোক্তারা তাদের হাতে তুলে দেয় মিষ্টি ও জল। ধর্ম হয়ে ওঠে মানবিক বন্ধনের মাধ্যম।।


More Stories
চোখের রায়, বিদেশযাত্রার অনুমতি
এনকাউন্টারে নিহত ঝাড়খণ্ডের কুখ্যাত গ্যাংস্টার সুজিত সিনহা
জল্পেশ মন্দিরে ‘গভীর আস্থা’ মুখ্যমন্ত্রীর