সময় কলকাতা ডেস্ক : পাক সাংবাদিকের বক্তব্যের জেরে তাঁকে বিজেপির চাঁছাছোলা আক্রমণের পরে মুখ খুললেন ভারতের প্রাক্তন উপরাষ্ট্রপতি হামিদ আনসারি।পাক সাংবাদিক নুসরত মির্জা সম্প্রতি জানিয়েছেন সাংবাদিক হিসেবে ভারতে এসে গুপ্তচরবৃত্তি করতেন তিনি। তিনি আরও জানিয়েছেন,একবার তাকে ভারতে আসার আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন হামিদ আনসারি।২০০৭ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত ভারতের উপরাষ্ট্রপতি পদে থাকা হামিদ আনসারি ২০১০ সালে পাক সাংবাদিককে আমন্ত্রণ জানানোর বিষয়ে যাবতীয় দায় তৎকালীন কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন সরকারের ওপরে চাপিয়েছেন।
নুসরাত মির্জা সংবাদ মাধ্যমকে সাক্ষাৎকার দেওয়ার সময় বলেছিলেন, তিনি ২০০৫ থেকে বহুবার ভারতে এসেছেন ও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংগ্রহ করেছেন।২০১০ সালে সন্ত্রাসবাদ বিরোধী আলোচনাচক্র ও সম্মেলনে তাঁকে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন তৎকালীন ভারতীয় উপরাষ্ট্রপতি হামিদ আনসারি। সে সময় ” ভারতের দুর্বলতার ” খোঁজখবর নিয়ে তিনি যাবতীয় তথ্য পাক গোয়েন্দা সংস্থা আই এস আইয়ের হাতে তুলে দিতেন, নুসরত মির্জা এমনটাই দাবি তুলেছেন।
গুপ্তচরবৃত্তি করতে ভারতে আসা-যাওয়া করা পাক সাংবাদিক নুসরত মির্জার বক্তব্যে দেশের সুরক্ষা,স্বরাষ্ট্র, প্রতিরক্ষা ও পররাষ্ট্র-জনিত বিষয়ের সঙ্গে হামিদ আনসারির নাম জড়াতেই বিজেপি হামিদ আনসারিকে তোপ দাগতে শুরু করে। বিজেপি শীর্ষনেতা গৌরব ভাটিয়া এ বিষয়ে হামিদ আনসারিকে নীরবতা ভঙ্গ করে বিষয়টির সত্যাসত্য উদ্ঘাটন করতে বলেন।
হামিদ আনসারি জানিয়েছেন, নুসরত মির্জাকে আমন্ত্রণ জানানোর বিষয়টি ঠিক করেছিল তৎকালীন কেন্দ্রীয় সরকার। তাঁর মতে,সবাই জানে বিদেশী অতিথিদের ভারত সরকারের পরামর্শে বিদেশ মন্ত্রকের মাধ্যমে আমন্ত্রণ করেন উপরাষ্ট্রপতি। ২০১০ সালের ডিসেম্বর মাসের সন্ত্রাসবাদ বিষয়ক সম্মেলন তিনি উদ্বোধন করেছিলেন স্বীকার করে নিয়ে জানান, বক্তা ও অতিথিদের তালিকা তৈরি করেছিলেন আয়োজকপক্ষ।।


More Stories
নাবালক ছাত্রের সঙ্গে যৌ*ন মিলন , গ্রেফতার হাইস্কুল শিক্ষিকা
পুলওয়ামা হামলার মাস্টারমাইন্ড হামজা বুরহান খ*তম , কে এই হামজা?
সীমান্তে চ্যাংড়াবান্ধায় জমি হস্তান্তরের সিদ্ধান্তের পরই শুরু মাপজোক