Home » কুণাল, দেবাংশুরা ইঙ্গিত করছেন! বিরোধীরা সুর চড়াচ্ছেন!

কুণাল, দেবাংশুরা ইঙ্গিত করছেন! বিরোধীরা সুর চড়াচ্ছেন!

সময় কলকাতা ডেস্কঃ পার্থর অর্থ লাগাতার অস্বস্তি বাড়াচ্ছে ঘাসফুল শিবিরের। বেলঘরিয়ার ৫এ নম্বর ফ্ল্যাট থেকে থরে থরে সাজানো টাকার বান্ডিল উদ্ধার হচ্ছে, সেই টাকার গণনা নিয়ে গোটা রাজ্যে রীতিমত মিমের বন্যা বয়ে যাচ্ছে, তখন আর চুপ করে থাকতে পারছেন না তৃণমূলেরই নেতা মন্ত্রী সান্ত্রীরাই। যে কুণাল ঘোষ বুধবার সাংবাদিক বৈঠকে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের মন্ত্রীত্ব পদ নিয়ে বলেছিলেন বিষয়টি দলের তরফে জানানো হবে, সেই কুণাল ঘোষই বৃহস্পতিবার সকালে টুইট করে বলছেন, পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে অনতিবিলম্বে পদ থেকে সরানো হোক। তাঁর এই মত যদি অনৈতিক মনে হয়, তিনি দল ত্যাগ করতেও রাজি আছেন।

কুণাল ঘোষ তো দল ছাড়তে রাজি, কিন্তু তৃণমূল যুব নেতা দেবাংশু ভট্টাচার্য আরও একধাপ এগিয়ে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের ঘাড়েই বন্দুক রাখতে চাইছেন। তাঁর টুইট বলছে, একটি ফোঁড়ার জন্য গোটা শরীরকে কষ্ট দেওয়া বৃথা। মানে শরীর ভালো রাখতে ফোঁড়া নিরাময়ের ওষুধ বকলমে বাতলে দিলেন তিনি।যদিও এই টুইটে ঘাসফুল শিবিরেরই অস্বস্তি বাড়বে বই কমবে না বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।

অন্যদিকে পার্থ ঘনিষ্ঠ অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের বাড়ি থেকে দ্বিতীয় দফায় ২৭ কোটি ৯০ লক্ষ টাকা উদ্ধার হওয়ায় ফের সুর চড়িয়েছেন বিরোধীরা। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী তো বলেই উঠলেন, টালিগঞ্জ বনাম বেলঘরিয়া.. পেঁয়াজের খোসা ছাড়ানো হচ্ছে। রাজ্য বিজেপি সভাপতি বলছেন, এই সব তো হিমশৈলের চূড়ামাত্র। বিজেপির আইটি সেলের জাতীয় কনভেনার অমিত মালব্য তো আরও একধাপ এগিয়ে বলেই বসছেন, স্যাক করলেই মুখ খুলবে। বাম শিবিরে আগেই এই নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে সুর চড়ছিল। টাকা উদ্ধার হওয়ার পর রীতিমতো আন্দোলনে সামিল হয়েছেন কমরেডরা। সুজন চক্রবর্তী আস্ত একটা কবিতাই লিখে ফেলেছেন। নেত্রীর বাঁয়ে ডাইনে নেতা-মন্ত্রী-সাংসদরা, সব অপরাধী এবং জেল খাটা আসামী!! অথচ দলটা কিন্তু সৎ এবং নেত্রী সাধুপুরুষ তো বটেই!! তিনি আরও প্রশ্ন তুলেছেন, সুপ্রিমোর পালা কবে? সূর্যকান্ত মিশ্র বলছেন চোর ধরো, জেলে ভরো।

টুইট, পাল্টা টুইট, বক্তব্য, পাল্টা বক্তব্য – চলছে তো চলছেই। পাশাপাশি টাকার গাড়ি ডায়মন্ড সিটির আবাসন ছেড়ে বেলঘরিয়ার গলি ছাড়ল। অর্পিতা দেবী এক এক করে ঠিকানা দেবেন, এবং সেই ঠিকানায় পাওয়া যাবে গোপন মিনি ব্যাঙ্ক। কিন্তু এতে চাকরির জন্য হাপিত্যেশ করে বসে থাকা যোগ্য ছেলেমেয়েগুলোর চোখের জল মুছিয়ে দিতে হয়ত কেউই যাবে না।

About Post Author