পুরন্দর চক্রবর্তী, সময় কলকাতা : জিডিপি বিতর্কের খেই ধরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে বিশ্বের রাজনীতি এবং অর্থনীতিতে ভারতের অবদানের কান্ডারি বলে দাবি দিলীপ ঘোষের। বিজেপি নেতা ও মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ দাবি করেছেন, বিশ্বের রাজনীতি ও অর্থনীতি পাল্টাচ্ছে যার পেছনে ভারতের বিরাট অবদান এবং নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে ৭.৮ জিডিপি (GDP )বৃদ্ধি করে দেখিয়েছে ভারত। তাই পরিবর্তনশীল অর্থনীতির বিশ্বের মানচিত্রে নরেন্দ্র মোদিকে বিশ্বের সমস্ত নেতারা সামনে রেখে লড়াই করেছে এমন বার্তাও দিয়েছেন দিলীপ ঘোষ। এখানেই বিতর্ককে নতুনভাবে চর্চায় এনেছেন দিলীপ ঘোষ। রবিবাসরীয় সকালে দিলীপ ঘোষের বক্তব্য যে বিষয়টিকে সিলমোহর দিতে চেয়েছেন সেই বিষয়টি ইতিমধ্যেই বহুল চর্চিত ও বহু বিতর্কিত। উল্লেখ করা প্রয়োজন, ভারতের ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষের প্রথম ত্রৈমাসিকে (এপ্রিল-জুন) জিডিপি (GDP) বৃদ্ধির হার ৭.৮% ঘোষণা করার পর থেকে দেশের অর্থনৈতিক মহলে এটি নিয়ে একটি তীব্র বিতর্ক শুরু হয়েছে। উল্লেখ্য নরেন্দ্র মোদির সম্প্রতি দাবি করেছিলেন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্স (টুইটার)-এ দেওয়া এক বার্তায় প্রধানমন্ত্রী মোদি বলেন, বৈশ্বিক অস্থিরতার মধ্যেও দেশবাসীর সম্মিলিত শক্তি ও সহনশীলতার ফলেই এই ৭.৮% বৃদ্ধি সম্ভব হয়েছে। তিন মাসে ম্যানুফ্যাকচারিং বা পণ্য উৎপাদন (৯.২% বৃদ্ধি) এবং পরিষেবা ক্ষেত্রে (১০% বৃদ্ধি) অসামান্য সাফল্যের হাত ধরেই জিডিপি বৃদ্ধি শক্তিশালী হয়েছে। সরকারের পরিসংখ্যান বিভাগ (MoSPI) যখন এই শক্তিশালী বৃদ্ধির দাবি করছে, তখন বিরোধী দল এবং বেশ কয়েকজন অর্থনীতিবিদ একে “পরিসংখ্যানগত বিভ্রান্তি” বলে দাবি করেছেন। উল্লেখ্য, ভারতের প্রাক্তন অর্থসচিব সুভাষচন্দ্র গর্গ একটি চাঞ্চল্যকর দাবি করেন। তাঁর মতে, চলতি মূল্যে (Nominal) জিডিপি বৃদ্ধি আসলে মাত্র ২.৬% এবং মূল্যস্ফীতি বা মুদ্রাস্ফীতি বাদ দিলে প্রকৃত বৃদ্ধি (Real GDP) শূন্যের কাছাকাছি।রিজার্ভ ব্যাঙ্কের (RBI) প্রাক্তন গভর্নর রঘুরাম রাজন সহ বেশ কয়েকজন বিশেষজ্ঞ প্রশ্ন তুলেছেন যে, যদি জিডিপি সত্যিই ৭.৮% হারে বাড়ে, তবে দেশের কর্মসংস্থান (Jobs) এবং বেসরকারি বিনিয়োগে (Private Investment) তার ইতিবাচক প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে না কেন!
জিডিপি বিতর্কের খেই ধরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে বিশ্বগুরু তকমা দিলীপ ঘোষের
Oplus_131072


More Stories
অস্ত্র আইনে তৃণমূল নেতা বিশ্বজিৎ দাস গ্রেফতার
জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে ক্রিমিনাল কেস এবং প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য দাবি অধীরের
সাদা ইনফ্লুয়েন্সার, কালো ইনফ্লুয়েন্সার, খবরের নিরপেক্ষতা এবং পেইড প্রমোশন!