সময় কলকাতা ডেস্কঃ বীরভূমের একাধিক জায়গায় সিবিআই এবং ইডির হানা। মঙ্গলবার রাতে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী অফিসারেরা শান্তিনিকেতনে বিশ্বভারতীর রতনকুঠি গেস্ট হাউসে ছিলেন। এরপর বুধবার সকালে তাঁদের ১০টি গাড়ি কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের নিয়ে দুটি দলে বিভক্ত হয়ে যায়। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী আধিকারিকদের একটি দল নানুরের বাসাপাড়া এবং অন্য একটি দল সিউড়ির দিকে যায়। তৃণমূলের জেলা পরিষদের পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ কেরিম খান এবং সিউড়িতে পাথর ব্যবসায়ী টুলু মণ্ডলের বাড়িতে হানা দেন অফিসারেরা।
ভোট পরবর্তী হিংসায় অভিযুক্ত হিসাবে নাম রয়েছে কেরিম খানের৷ অন্যদিকে, কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার ৬ টি গাড়ি পৌঁছয় সিউড়ির পাথর ব্যবসায়ী টুলু মণ্ডলের সুভাষ পল্লির বাড়িতে। এরা দুজনেই তৃণমূল বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলের ঘনিষ্ঠ হিসাবেই পরিচিত। ৬টি গাড়ির ১ টি গাড়ি যায় দেউচা পাচামির পাথর খাদানে। অন্য ১ টি গাড়ি পৌঁছয় মহম্মদবাজার পেট্রোল পাম্পে। অপর ১টি গাড়ি যায় টুলু মণ্ডলের পাইকপাড়ার বাড়িতে। ইতিমধ্যেই টুলুর একটি বাড়িতে দরজা ভেঙে শুরু হয়েছে তল্লাশি। এদিকে, ইডির একটি দল বোলপুরে ‘অপা’ বাড়িতেও হানা দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বুধবার সকালে বীরভূমে ইডির একটি তদন্তকারী দল তল্লাশি অভিযানে যায়। ১৮টি গাড়ি নিয়ে মোট ১২ জন ইডি অফিসার মঙ্গলবার বিশ্বভারতীর রতনকুঠি গেস্ট হাউজে আসেন। বুধবার সকালে ইডি অফিসাররা বিভিন্ন দলে ভাগ হয়ে তল্লাশি অভিযান শুরু করেছে।
অন্যদিকে,সল্টলেকে ব্যবসায়ী মহেন্দ্র আগওয়ালের বাড়িতেও হানা দেয় তদন্তকারীরা। মঙ্গলবার হেয়ার স্ট্রিটে ব্যবাসীর অফিসে হানা দিয়েছিলেন তদন্তকারীরা। সেখান থেকে ৩ লক্ষেরও বেশি নগদ টাকা উদ্ধার করা হয়। জানা গিয়েছে,তারপর থেকেই ওই ব্যবসায়ী পলাতক। ইতিমধ্যে তাঁর খোঁজেও তল্লাশি চালানো হচ্ছে।


More Stories
এবার থানায় থানায় বাগেশ্বর বাবার বিরুদ্ধে এফআইআর করবে কংগ্রেস
মেজবাবুকে চড় মেরে ক্ষমা চেয়ে নিয়েছি : রেখা পাত্র
ডার্বির উত্তেজনার পারদ তুঙ্গে , বড় ম্যাচে বড় পরীক্ষা পুলিশের