Home » মাল নদীতে প্রতিমা নিরঞ্জনে কতটা তৎপর ছিল প্রশাসন?

মাল নদীতে প্রতিমা নিরঞ্জনে কতটা তৎপর ছিল প্রশাসন?

সময় কলকাতা ডেস্কঃ বুধবার বিসর্জন ঠিকমতো করার জন্য মাল নদীর শুকনো খাতে বোল্ডার ফেলা হয়েছিল। যাতে যেদিকে বিসর্জন হচ্ছে, সেদিকে যেন স্রোতের টান থাকে। আর এতেই মর্মান্তিক এই দুর্ঘটনা ঘটেছে বলেই মনে করছেন স্থানীয়রা। পাশাপাশি বিসর্জনের সময় নদীর তীরে সিভিল ডিফেন্সের মাত্র ৮ জন কর্মী উপস্থিত ছিল। দুর্ঘটনার পর দড়ি আর নৌকা ছাড়া সিভিল ডিফেন্সের কর্মীদের কাছে কিছু ছিল না বলেও অভিযোগ উঠেছে। যদিও প্রশাসনিক গাফিলতির অভিযোগ অস্বীকার করেছে রাজ্য প্রশাসন।
অন্যদিকে বৃহস্পতিবার সকালেই নদীঘাট পরিদর্শনে যান রাজ্যের মন্ত্রী বুলুচিক বড়াইক এবং উত্তরবঙ্গ পরিবহণ সংস্থার চেয়ারম্যান তথা তৃণমূল নেতা পার্থ প্রতিম রায়। তাঁদের দাবি, বিসর্জনের সময় ঘাটে যথেষ্ট পরিমাণ সিভিল ডিভেন্সের কর্মী মোতায়েন ছিল। কিন্তু হঠাৎ করে হড়পা বান আসাতেই এই দুর্ঘটনাটি ঘটে। তারা আরও জানান যে, উদ্ধারকাজও তৎপরতার সঙ্গে শুরু হয়েছে। এমনকী প্রশাসনের তরফে নিরাপত্তা ব্যবস্থা যথেষ্ট ছিল।

প্রসঙ্গত,বুধবার রাত সাড়ে ৮টা নাগাদ মাল বাজারে মাল নদীতে প্রতিমা নিরঞ্জনের সময় আচমকাই হড়পা বান আছড়ে পড়ে মাল নদীর পাড়ে। সেসময়ই ভেসে যায় অসংখ্য মানুষ। রাত এগারোটা পর্যন্ত ৭ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করা হয়েছে। পাশাপাশি নিখোঁজ ছিল ৪০ জনেরও বেশি মানুষ। মর্মান্তিক এই দুর্ঘটনার খবর পেয়ে তৎক্ষণাৎই উদ্ধারকাজে নামে পুলিশ, দমকল ও বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী। ওইদিন রাতেই ঘটনাস্থলে যান জেলা পুলিশ সুপার সহ জেলাশাসক। কিন্তু জলের তোড় এবং টানা বৃষ্টির জেরে উদ্ধারকাজ ব্যাহত হয়। ইতিমধ্যেই সিভিল ডিফেন্স ও এসডিআরএফ-এর উদ্ধারকাজে কোনও গাফিলতি ছিল কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন জেলাশাসক মৌমিতা গোদারা।

About Post Author