সময় কলকাতা ডেস্কঃ ক্রমশ উদ্বেগ বাড়াচ্ছে ডেঙ্গি। গত এক সপ্তাহ ধরে রাজ্যে সবচেয়ে বেশি সংখ্যক ডেঙ্গি আক্রান্তের হদিশ পাওয়া গিয়েছে উত্তর ২৪ পরগনা ও হাও়ডা জেলায়। বর্তমানে রাজ্যে ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় ছয়হাজার। যা এক সপ্তাহের নিরিখে এখনও সর্বোচ্চ। পাশাপাশি বাড়ছে গুরুতর অসুস্থ রোগীর সংখ্যাও।
শুক্রবার স্বাস্থ্যভবনে ডেঙ্গি নিয়ে সাপ্তাহিক ভার্চুয়াল বৈঠকের আয়োজন করা হয়েছিল। সেই বৈঠকেই উঠে এসেছে কিছু তথ্য। জানা গিয়েছে, মেডিক্যাল কলেজ বা জেলা সদর হাসপাতালে নয়, গত সপ্তাহে সবচেয়ে বেশি রোগী ভর্তি হয়েছে মহকুমা হাসপাতালে। গত এক সপ্তাহে রাজ্যের সরকারি মেডিক্যাল কলেজে ৩৭৯ জন ও জেলা হাসপাতালে ডেঙ্গি নিয়ে ভর্তি হয়েছেন ৬৮৬ জন রোগী। সেখানে মহকুমা স্তরের হাসপাতালে ১০১৪ জন ডেঙ্গি রোগী ভর্তি হয়েছেন।
অন্যদিকে জেলার মধ্যে বিধাননগর পুর এলাকাতেই ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা সর্বাধিক। এই পরিস্থিতিতে ডেঙ্গি মোকাবিলায় বিধাননগর পুরনিগমকে ইতিমধ্যেই একগুচ্ছ নির্দেশ দিয়েছে স্বাস্থ্য ভবন। গত ৩১ আগস্ট পর্যন্ত বিধাননগর পুরনিগম এলাকায় ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ১৯৩। যা এখন বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ১২২১। যদিও বিধাননগরের একাংশের অভিযোগ, বিধাননগরের অধিকাংশ ব্লকের পার্কেরই বেহাল অবস্থা। পার্কের মধ্যে জল জমে রয়েছে। শুধু তাই নয়, বেশ কয়েকটি পার্কের ফোয়ারাগুলি দীর্ঘদিন ধরে ব্যবহার না হওয়ায় কারণে সেখানে মশার লার্ভা জন্মাচ্ছে।

স্বাস্থ্য ভবনের তরফে ইতিমধ্যেই ফাঁকা জমি ও দীর্ঘদিন ধরে তালা বন্ধ অবস্থায় থাকা বাড়িগুলিতে নজরদারি বাড়াতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি বিধাননগর পুরনিগমের তিনটি হাসপাতালে বেডের সংখ্যাও বাড়াতে বলা হয়েছে। অন্যদিকে ফের একবার স্বাস্থ্য ভবনের কর্তারা ড্রোন উড়িয়ে খালগুলিতে জীবাণুনাশক স্প্রে করার কথাও মনে করিয়ে দিয়েছেন। এছাড়াও কালীপুজো প্যান্ডেলগুলির উপরেও বিশেষ নজর দিতে বলা হয়েছে স্বাস্থ্য ভবনের তরফে। সূত্রের খবর,কলকাতায় এখনও পর্যন্ত তালা বন্ধ অবস্থায় থাকা ১৭০টি বাড়িতে পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে তালা ভেঙে ঢুকে পুরকর্মীরা সাফাই করেছেন।


More Stories
ঋতব্রত সন্দীপনের বহিষ্কারের চিঠিতে কী কী লেখা হয়েছে?
বঙ্গে পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রিসভার গঠন
অভিষেক নিগ্রহ পর্ব : আদতে হয়েছিল কী? বিভিন্ন রাজনৈতিক মহল, নেতা-নেত্রীরা কী বলছেন!