সময় কলকাতা ডেস্কঃ মাল নদীতে হড়পা বানের বিপর্যয়ের পর থেকেই উদ্বিগ্ন প্রশাসন। কার্যত সেই কারণেই এবার ছট পুজোতে তোর্সা নদীর উপর অস্থায়ী সাঁকো তৈরির সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করে নিল পুরসভা ও প্রশাসন। শুক্রবার দুপুরেই কোচবিহার ল্যান্সডাউন হলে কোচবিহার শহরের বিভিন্ন ছট পুজো কমিটির কর্মকর্তাদের নিয়ে বৈঠক হয়। সেখানেই প্রশাসনের তরফে এই সিদ্ধান্তের কথা সাফ জানিয়ে দেওয়া হয় ছট পুজো কমিটির কর্মকর্তাদের। জানা গিয়েছে,ফাঁসির ঘাট, বিসর্জন ঘাট ও হুজুর সাহেবের মেলা যেই মাঠে হবে, সেখানেই ছট পুজোর আয়োজন করা হবে।
সূত্রের খবর, প্রতিবছরই তোর্সা নদীর পাড়ে কোচবিহারের হিন্দিবাসী সম্প্রদায়ের পাঁচ হাজারেরও বেশি বাসিন্দা ছটপুজো করে থাকেন। এই পুজোকে কেন্দ্র করে নদীর পূর্ব পাড়ে প্রায় কুড়ি হাজারে লোকের সমাগম হয়৷ সেই কারণেই পুরসভার উদ্যোগে পূর্ব থেক পশ্চিম পাড় পর্যন্ত তোর্সা নদীর উপর একটি অস্থায়ী সাঁকো তৈরি করা হয়। সেই সাঁকো পেরিয়েি ওপারে গিয়ে পুজো দেন ভক্তরা।
প্রসঙ্গত, দশমীর দিন মাল বাজারের মাল নদীতে প্রতিমা নিরঞ্জনের সময় আচমকাই হড়পা বান আছড়ে পড়ে মাল নদীর পাড়ে। সেসময়ই ভেসে যায় অসংখ্য মানুষ। মর্মান্তিক এই দুর্ঘটনায় ৮ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করা হয়েছিল। পাশাপাশি নিখোঁজ ছিল ৪০ জনেরও বেশি মানুষ। সেই কারণেই এবার তোর্সা নদীর উপর অস্থায়ী সাঁকো তৈরি করার সিদ্ধান্ত থেকে পিছিয়ে এল পুরসভা।

অন্যদিকে এই ঘটনার জেরে এবছর ছোট করে কালীপুজো করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মালবাজারের কালীপুজো কমিটিগুলি। ইতিমধ্যেই মালবাজার শহরের কালীপুজো কমিটিগুলিকে সাধুবাদ দিয়ে চেয়ারম্যান স্বপন সাহা জানিয়েছেন, অন্যান্য বছর খুবই জাঁকজমক ভাবে কালীপুজো হয়। এবার এই মর্মান্তিক ঘটনার পর পুজোকমিটিগুলি সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে ছোট করে পুজো করবে। এমনকী কোনও বিচিত্রানুষ্ঠানের আয়োজনও কেউ করবে না।


More Stories
ঋতব্রত সন্দীপনের বহিষ্কারের চিঠিতে কী কী লেখা হয়েছে?
বঙ্গে পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রিসভার গঠন
অভিষেক নিগ্রহ পর্ব : আদতে হয়েছিল কী? বিভিন্ন রাজনৈতিক মহল, নেতা-নেত্রীরা কী বলছেন!