সময় কলকাতা ডেস্ক: দূষণে নাভিশ্বাস উঠেছে হাওড়ার ধূলাগড় শিল্পাঞ্চলের বাসিন্দাদের।স্থানীয়দের দাবি, সিমেন্ট কারখানার ধূলোয় নিঃশ্বাস নিতে পারছেন না তারা।প্রশাসনের কর্তাদের লিখিত অভিযোগ জানিয়েও লাভ হচ্ছে না বলে দাবি বাসিন্দাদের।

হাওড়ার সাঁকরাইল ব্লকের জলা ধুলাগড় এলাকায় বহু কল কারখানা গড়ে উঠেছে। পাশে রয়েছে জাতীয় সড়ক। স্থানীয়দের দাবি, ধুলোর মূল উৎস এলাকার একটি সিমেন্ট কারখানা । ঘরে বা উঠানের মেঝে, বাড়ির ছাদ প্রতিমুহূর্তে ধূলোর আস্তরণ ভরে থাকছে। বাতাসে মিশে থাকা ধূলো শরীরের ভিতর প্রবেশ করছে।তাতেই শ্বাসকষ্ট জনিত সমস্যায় ভুগছেন বহু মানুষ। বাসিন্দাদের অভিযোগ, জলা ধুলাগড়ে গড়ে ওঠা সিমেন্ট ফ্যাক্টরির কারণেই এই সমস্যা।
ইতিমধ্যেইএই যন্ত্রনা থেকে মুক্তি পেতে প্রশাসন ও পরিবেশ আদালতে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। সম্প্রতি ন্যাশনাল গ্রিন ট্রাইব্যুনালের বিশেষ পরীক্ষায় জানা গিয়েছে গ্রামের বাতাসে দূষণের মাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে ১৪ গুণ বেশি।তার পরেও হুশ নেই প্রশাসনের।স্থানীয় চিকিৎসকের দাবি, তাঁদের এলাকায় কয়েক বছর ধরে চর্মরোগ ও শ্বাসকষ্ট জনিত রোগীর সংখ্যা বেড়েছে।

রাজ্যে তাজ বন্দর নির্মানে আগ্রহী সংস্থা সম্প্রতি এই সিমেন্ট কারখানাটি অধিগ্রহণ করেছে।তার পর তারা কারখানার উৎপাদন ক্ষমতা বাড়ার আবেদন করেছে রাজ্যের কাছে বলে জানান স্থানীয় পঞ্চায়েত প্রধান।তবে এলাকার দূষণ নিয়ে রাজ্যে সরকার সিদ্ধান্ত নেবে বলে দাবি করেন তিনি। পরিবেশ বাঁচাতে রাষ্ট্রনেতারা নানান দেশে বৈঠক করে চলেছেন।কিন্তু শস্য শ্যামলা বাংলায় দূষণে ভিটে ছাড়া হতে চলেছেন অনেকেই সেদিকে কবে নজর দেবে প্রশাসন তা সময়ই বলবে।


More Stories
মোথাবাড়ি কাণ্ডের অশান্তির নেপথ্য “খলনায়ক” মোফাক্কেরুল ইসলাম গ্রেফতার কিসের ইঙ্গিত?
বকেয়া ডিএ-র সুখবর : কবে টাকা পাবেন সরকারি কর্মী ও পেনশনভোগীরা?
এবারের ভোট বাংলার আত্মাকে রক্ষা করার লড়াই, ব্রিগেডে বললেন প্রধানমন্ত্রী