সময় কলকাতা,অর্কজ্যোতি বন্দ্যোপাধ্যায়: তিনি বিশ্ব ফুটবলের রূপকথার নায়ক। বিশ্ব ফুটবলে লাতিন আমেরিকার একটি দেশকে জনপ্রিয় করার পিছনে যার অবদান অনস্বীকার্য। করোনা অতিমারির সময় একটি হার্ট অ্যাটাক, বিশ্ব ফুটবলকে স্তব্ধ করে দিয়েছিল। ২০২০ সালের আজকের দিনেই পৃথিবীকে ‘ আদিওস’ জানিয়েছিলেন তিনি। তিনি দিয়েগো আর্মন্ডো মারাদোনা।
আর্জেন্টনো জুনিয়র থেকে মাত্র ১৬ বছর বয়সে ফুটবল জীবন শুরু হয়েছিল ফুটবলের রাজপুত্রের। আর্জেন্টনো জুনিয়রের জার্সিতে ১৬৬ ম্যাচে ১১৬ টি গোল করেন তিনি। এরপর ১৯৮১ তে বোকা জুনিয়রে যোগ দেন দিয়েগো। এরপর আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি তাঁকে। প্রথমে বার্সেলোনা, তারপর নাপোলির জার্সিতে দীর্ঘদিন খেলেছেন। ক্লাব ফুটবলে জিতেছেন সব ট্রফি। ব্যক্তিগত স্তরেও জিতেছেন প্রায় সব সম্মানীয় পুরস্কার।
ক্লাবের পাশাপশি দেশের হয়েও সমান সফল দিয়েগো। দেশের জার্সিতে ৯১ ম্যাচে করেছেন ৩৪ টি গোল। দেশকে জিতিয়েছেন একাধিক আন্তর্জাতিক ট্রফি। তার মধ্যে অন্যতম হল ১৯৮৬ র বিশ্বকাপ। মারাদোনা ভক্তরা বলেন ১৯৮৬ মেক্সিকো বিশ্বকাপ তিনি একক দক্ষতায় দেশকে জিতিয়েছিলেন।
ফুটবল জীবনের পাশাপাশি ব্যক্তি মারাদোনার জীবনও সমান বর্নময়। একাধিক বিতর্কে বারবার উঠে এসেছে তাঁর নাম। ১৯৯৪ বিশ্বকাপ চলাকালীন ড্রাগ পরীক্ষায় ব্যর্থ হয়েছিলেন। এরপরই তাঁর জীবনে নেমে আসে ফিফার নির্বাসনের কালো ছায়া। অবৈধ মাদক সেবন থেকে শুরু করে কর ফাঁকি একাধিক বিতর্কে বিদ্ধ হতে হয়েছে ফুটবলের রাজকুমারকে। কিন্তু প্রতিবারই ফিরে এসেছেন স্বমহিমায়।
রবিবার ভারতীয় সময় মধ্যরাতে যখন নিজেদের মরণ বাঁচোন ম্যাচে মেক্সিকোর বিরুদ্ধে মাঠে নামবেন মেসিরা। তখন কি বুয়েনস আইরেসের বেসা ভিস্টার কবরে শান্তিতে শুয়ে থাকতে পারবেন ফুটবলের রাজপুত্র?


More Stories
জিতল লাল হলুদ,অভিষেকে ইউসেফের জোড়া গোল
পাকিস্তানকে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে ছেঁটে ফেলতে পারে আইসিসি?
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে পাকিস্তানের বদলে আইসল্যান্ড? নেট- দুনিয়ায় হইচই