Home » ভারতে ১৭ লাখেরও বেশি ভিডিও নিষিদ্ধ করল ইউটিউব 

ভারতে ১৭ লাখেরও বেশি ভিডিও নিষিদ্ধ করল ইউটিউব 

সময় কলকাতা ডেস্কঃ এবার ভারতে ১৭ লাখেরও বেশি ভিডিও নিষিদ্ধ করল ইউটিউব। সম্প্রতি এই ভিডিও স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্মের তৃতীয় ত্রৈমাসিকের রিপোর্ট প্রকাশিত হয়েছে। যেখানে স্পষ্টভাবে জনাইয়ে দেওয়া হয়েছে,চলতি বছর জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর মাসের মধ্যে বিশ্বব্যাপী ৫৫ লাখেরও বেশ ভিডিও ডিলিট করে দিয়েছে গুগল-এর ভিডিও স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম। যার মধ্যে ১৭লাখ ভিডিওই ভারতের। অন্যদিকে একই সময়ে ভিডিও স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম ব্যবহারের নিয়মাবলী না মানার জন্য ৫০ লাখ চ্যানেল বাতিল করেছে ইউটিউব।

জানা গিয়েছে, ইতিমধ্যেই যে ভিডিওগুলিকে সনাক্ত করা হয়েছে,তার মধ্যে ৩৬ শতাংশ ভিডিও কেউ দেখার আগেই সার্ভার থেকে ডিলিট করা হয়েছে। আর ৩১ শতাংশ ভিডিও ১০ জনেরও কম দেখার আগেই ডিলিট করে দেওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য,কিছুদিন আগেই ভুয়ো খবর ছড়ানোর অভিযোগে ৮টি ইউটিউব চ্যানেল নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। যার মধ্যে ৭টি ভারতীয় চ্যানেল এবং ১টি পাকিস্তানি ইউটিউব চ্যানেল ছিল। অভিযোগ, চ্যানেলগুলিতে ‘ভুয়ো ও ভারত বিরোধী বিষয়বস্তু’ ছিল! শুধু তাই নয়, ইউটিউব চ্যানেলের পাশাপাশি একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্টও ব্লক করা হয়েছিল। জানা গিয়েছে, যে আটটি ইউটিউব চ্যানেল ব্যান করা হয়েছে, তাদের মোট সাবস্ক্রাইবার সংখ্যা ৮৬ লাখেরও বেশি। ইউটিউব চ্যানেলগুলির মোট ভিউজ ১১৪ কোটিরও অধিক।

যে সাতটি ভারতীয় চ্যানেল নিষিদ্ধ করা হয়েছিল,সেগুলো হল- লোকতন্ত্র টিভি, ইউএন্ডভি টিভি, এএম রাজভি, গৌরবশালী পবন মিথিলাঞ্চল, সিটপ৫টিএইচ, সরকারি আপডেট, সব কিছু দেখো। এর মধ্যে লোকতন্ত্র টিভির প্রায় ১৯.৪ লাখ সাবস্ক্রাইবার ছিল, ভিউজ ছিল প্রায় ৩৩ কোটি। ইউটিউবের পাশাপাশি এই চ্যানেলের ফেসবুক অ্যাকাউন্টও নিষিদ্ধ করেছে সরকার। ‘নিউজ কি দুনিয়া’ নামক এক পাকিস্তানি চ্যানেলও ব্লক করা হয়েছে। একটি বিবৃতিতে বলা হয়, ‘মন্ত্রক দ্বারা ব্লক করা সমস্ত ইউটিউব চ্যানেল তাদের ভিডিওগুলিতে বিজ্ঞাপন প্রদর্শন করছিল যাতে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি, জনশৃঙ্খলা এবং ভারতের বৈদেশিক সম্পর্কের জন্য ক্ষতিকর মিথ্যা ছিল।

প্রসঙ্গত, এর আগে গত ২৫ এপ্রিল, ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা, বৈদেশিক সম্পর্ক এবং জনশৃঙ্খলা সম্পর্কিত বিভ্রান্তি ছড়ানোর জন্য ১০ টি ভারতীয় এবং ৬ টি পাকিস্তান ভিত্তিক চ্যানেল সহ ১৬ টি ইউটিউব নিউজ চ্যানেলকে নিষিদ্ধ করেছিল কেন্দ্রীয় সরকার।

About Post Author